ফেনীর রামপুরে যুবলীগ নেতার উপর হামলার ঘটনায় বিএনপিকে জড়ানোয় প্রতিবাদ

মোঃআহছান উল্যাহ, ফেনী জেলা ফেনী:ফেনীর পৌরসভার আওতাধীন রামপুর ১৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদের শিপনের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি কে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুবদল নেতা নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি হামলার স্বীকার যুবলীগ নেতা শিপনের সাথে মামুনের মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মাদক ও সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাসী নয়। তাই উক্ত সন্ত্রাসী হামলা ও মাদকের সংশ্লিষ্টতাকে আমরা ঘৃণ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা দেশ ও সমাজের শত্রু। তাই ১৪ নং ওয়ার্ডকে মাদক,সন্ত্রাস, দুর্নীতি অপরাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন রুখতে রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ সহ তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এছাড়াও এই ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ দোষীকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ কেউ যাতে হয়রানির স্বীকার না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান তিনি।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত মামুন হামলার দায় স্বীকার করে ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে জানান, যুবলীগ নেতা শিপনের সাথে তার মাদক ব্যবসায় সংক্রান্ত বিরোধ ছিলো। শিপন তাকে মাদক পৌঁছে দেওয়ার কাজে সম্পৃক্ত করে। কিছুদিন আগে মামুন ইয়াবা পৌঁছে দেওয়ার সময় পুলিশি তল্লাশির ভয়ে ইয়াবা পেলে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে শিপন ওই ইয়াবার মূল্য পরিষদের জন্য বিভিন্ন সময় তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। তারই জের ধরে দুইজনের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তার তারই জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে মামুন বিবৃতিতে জানান। এছাড়াও তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতার উপর আঘাত করেননি বরং একজন মাদক ব্যবসায়ীর উপর আঘাত করেছেন বলে দাবী করেন।

এর আগে গত শনিবার দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জের ধরে রামপুর এলাকার মেহেদী সাঈদী বাজারে সংঘর্ষ বাধে। এতে মামুনের অনুসারীদের হামলায় আহত হয় ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের শিপন সহ তার সঙ্গীরা। পরে এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ব্যক্তি অপরাধের দায়ে দলকে জড়িয়ে প্রচারণা চালানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।