ফেনীর ফরহাদ নগর’র টিপুর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

মোঃ আহছান উল্যাহ, ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদ নগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন টিপু চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। জানা যায়, ফরহাদ নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত কাশতুপাত টুকুর ভাতিজা পরিচয়দানকারী মোশাররফ হোসেন টিপু এলাকার ছ্যাঁচড়া সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত হিসাবে পরিচিত ছিল।

ঢাকা- চট্রগ্রাম হাইওয়ে তুলার গাড়ী ডাকাতি মামলায় পুলিশের প্রধান সন্দেহভাজন আসামী হিসাবে পলায়নপর ছিল। ২০১০ সালে বিআরবি ক্যাবল বহনকারী কভার্ডভ্যান ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এখানেও টিপুর সম্পৃক্ততা খুঁজে পায় পুলিশ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্য টিপু আশ্রয় নেয় ফরহাদ নগর আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল বাঙ্গালীর বাড়ীতে। সেখান থেকে অস্ত্রসহ টিপু পুলিশের হাতে ধৃত হয়। সেই অভিযানের নেতৃত্ব দেন বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এস আাই ( বর্তমানে পুলিশ ইন্সপেক্টর) মোঃ মনির হোসেন।

দীর্ঘদিন জেল খেটে টিপু জামিনে ছাড়া পেয়ে আরো বেপোয়ারা হয়ে পড়ে। সসস্ত্র দলবল নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে টিপু আলোচনায় আসে। তখনও পর্যন্ত টিপুর রাজনৈতিক পরিচয় ছিলনা। বিএনপি- জামায়াত অধ্যুষিত ফরহাদ নগরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের লক্ষে নজরুল বাঙ্গালীসহ কতিপয় আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি নির্বাচনে টিপুর পক্ষে লবিং করে এবং সফল হয়। এক্ষেত্রে স্হানীয় তৃণমূল নেতা* কর্মীদের চাওয়া- পাওয়া উপেক্ষিত থেকে যায়। ফেনীর বর্তমান নির্বাচনী সংস্কৃতিতে টিপু চেয়ারম্যানী গেজেট পায়। এরপর শুরু হয় টিপুর নগ্ন নৃত্যের উম্মাদনা।

কথায় বলে ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না। সন্ত্রাস ও ডাকাতি দিয়ে যার উথ্থান, সে এগুলো থেকে নিস্কৃতি পাবেনা, পায়নি। বরং বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে সন্ত্রাসকে ফরহাদ নগরে শৈল্পিকভাবে রূপ দিতে সক্ষম হয়। বিএনপি আমলে নির্যাতিত, নিপীড়িত হামলা- মামলার শিকার ত্যাগী নেতা- কর্মীদের টার্গেট করে টিপু। কেননা, টিপু জানে কোনঠাসা বিরোধীদল নয়, দলীয় নেতা- কর্মীরা টিপুর অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরোধীতা করবে।