ফরিদগঞ্জ থেকে পাচারের উদ্যেশে অপহৃত দু কিশোরী ঢাকা থেকে উদ্ধার

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার,  চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার অজোপাড়া গ্রাম থেকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের জন্য দু কিশোরিকে বাড়ি থেকে অপহরন করে নিয়ে যাওয়া হয়। দু দিন পর অপহরনের সাথে জরিত নারীকে চাপ প্রয়োগ করলে ঢাকা থেকে তারাই কিশোরিদের উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে দু কিশোরি চাঁদপুর ২৫০শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার নয়ারহাট ভাটিয়ালপুর মিজি বাড়ির বাবু মিজির কণ্যা সোনিয়া আক্তার (১৩)ও তার চাচাতো বোন সোলিম মিজির কণ্যা সেলিনা (১১)কে রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাদের মা বাড়ির বাইরে অর্থাৎ পাশের বাড়িতে যায়। এসময় কৌশলে পাশের বাড়ির রুবি বেগম মিজি বাড়িতে প্রবেশ করে। রুবি বেগম কৌশলে নানা প্রলোভন দেখিয়ে সোনিয়া ও সেলিনাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় বলে পরিবার দাবী করে।সেলিনাকে রেনু বেগম মেয়েকে বাড়িতে দেথখতে না পেয়ে খুজা খুজি শুরু করেন।

তখন দেখা যায় বাবু মিজির মেয়ে সোনিয়াকে ও বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছেনা।তখন বাড়ির লোকজনের সন্ধেহ হয় পাশের বাড়ির রুবি বেগমের উপর।এ নারী সন্ধ্যায় আর কেউ বাড়িতে আসেনি।পরদিন সোলিনার মা রেনু বেগম ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মোঃ কাজী জাকির রুবি বেগম কে চাপ প্রয়োগ করলে তার পক্ষের লোকজন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে সোনিয়া ও সেলিনাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে অপহরনের স্বিকার দু কিশোরিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোনিয়া ও সেলিনার পরিবার জানায়, রুবি বেগম নারী পাচার চক্রের সদস্য। আমাদের মেয়েদের কৌশলে সে পাচারের জন্য বাড়ি থেবে ঢাকায় নিয়ে যায়।সেখানে একটি বাসায় আটকে রেখে তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়।আতঙ্কিত হয়ে দু কিশোরি সঞ্জাহীন হয়ে পরেছে।বর্তমানে তারা ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছে।