প্রাইভেটের টাকা জমিয়ে খরচ করতেন গানের মাস্টারের জন্য

রতন দাশ, সাতকানিয়া প্রতিনিধি: স্কুলে পড়ার সময় একাডেমিক প্রাইভেটের টাকা জমিয়ে রাখতেন। সেই টাকা খরচ করতেন গানের মাস্টারের জন্য। পড়াশোনার সাথে সমানতালে শিখেছেন গান। স্কুল জীবন থেকেই নিয়মিত করতেন সঙ্গীত সাধনা। একটা সময় জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান প্রবাসে। এর আগেই ইতি টানেন প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার।

প্রবাসে যাওয়ার কিছুদিন পরেই তাঁর গানের প্রতিভার দ্যুতি ছড়াতে থাকে। প্রবাসে প্রত্যন্ত এলাকার বাঙালিদের থেকে ডাক আসে বিভিন্ন ঘরোয়া প্রোগ্রাম ও কনসার্টে। এক কনসার্টে পরিচয় হয় বাঙলা চলচিত্রের নৈপথ্য গায়ক, লোকগান শিল্পী ও পরিচালক ফেরদৌস ওয়াহিদের সাথে। তাঁর গানে মুগ্ধ হন ফেরদৌস ওয়াহিদ। হাতে একটা কার্ড ধরিয়ে দিয়ে বলেন গানের গলা ভালো, দেশে গেলে যোগাযোগ রাখিও। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। দেশে এসেই কন্ঠ দিয়েছেন দেশ সেরা শিল্পীদের সাথে। তালিকায় বাদ যায়নি ন্যান্সি, হাবিব ওয়াহিদ, চট্টগ্রামের অরিণের মতো কণ্ঠশিল্পী।

এর মাঝে ন্যান্সির সাথে এসোনা, অরিনের সাথে খুঁনসুটি ও মন গগনে, ভালোবাসি কত যে, বাক বাকুম প্রেম, তুমি তুমি করে, বুকের ভিতর এবং সালাম সরকারের বিখ্যাত গান জীবন মানে যন্ত্রণা সহ অসংখ্য গানে কন্ঠ দিয়েছেন। তার প্রযোজনায় বের করেছেন এ্যালবাম দিল। তাঁর বেশিরভাগ গানই ঈগল অডিও স্টেশন ও সিডি চয়েসের ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাবে।

এতক্ষণ বলছিলাম দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছদাহার সন্তান সম্রাট মিজানের কথা। যিনি কিনা ইতিমধ্যে এই জগতে অনেকদূর এগিয়ে গেছেন। তাঁর বাড়ি ছদাহার ৫ নং ওয়ার্ডে।

বর্তমানে সম্রাট গানের সাথে স্টুডিও ও ইয়ারা ফ্যাশন নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত আছেন। আরও কিছু গানের শুটিং ও রেকর্ডিং চলছে। শীঘ্রই সেগুলো সোস্যাল প্ল্যাটফর্মে আসবে। এসবের মাঝে ও সময় দেন বিভিন্ন সামাজিক কাজ ও ক্রীড়াঙ্গনে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট আয়োজন ছদাহা চেয়ারম্যান ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সম্রাট ক্রিকেট একাদশ নামে একটা টিম ও দিয়েছেন