প্রতিবন্ধী হয়েও মেলেনা কোন ভাতা

আবুল বশর বয়স ২২, ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে মেজ। মা অন্যের ঘরে কাজ করে বড় ভাই মানুষের ক্ষেত খামারে দৈনিক কাজ করে পরিবার নিয়ে দুঃখ কষ্টে দিন পার করে আর আবুল বশর মানবতার জীবন যাপন করে বড় ভাইয়ের পরিবারে।

শারীরিক ভাবে ছোট হওয়ায় পারে না কোন জায়গায় কাজ করে দুইটা টাকা আয় করতে পারে না

নিজ পরিবারে কোন সহযোগীতা করতে।বড় ভাইয়ের অভাবের সংসারে ও সমাজে সবার কাছে অবহেলার পাত্র হয়ে এভাবে

পার করছে সেই মানবতার জীবন যাপন আর এখনো তার কপালে জুটেনি সরকারি কোন রকম ভাতা।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পুটিবিলা ইউনিয়নের পঁহরচাদা আদর্শ পাড়ার শারীরিক প্রতিবন্ধী মৃত শেহের আলী ছেলে আবুল বশর

সরজমিনে গিয়ে আবুল বশরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ভাতা পেলেতো সুবিধা হতো ।

আমার বয়স ২২ বছর আমি কোন কাজ করতে পারি না আমি সরকারের কাছে আবেদন করি ভাতা পাওয়ার জন্য।

আবুল বশরের বাড়িতে যাওয়ার পরে তার প্রতিবেশীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন আমরা সরকারের কাছে আমার ছেলের জন্য ভাতা চাই।

আবুল বশরের মায়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমার ছেলে ২০ / ২৪ বছর হয়েছে আমার ছেলেটি নিয়ে অনেক কষ্টে আছি চেয়ারম্যানের কাছে গেছিলাম কিন্তুু কিছু পেলাম না।

আমি আমার ছেলের জন্য সরকারের কাছে ভাতা চাই।

এবিষয়ে পুটিবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইউনুছের সাথে কথা বললে,

তিনি জানান ওনিতো আমার সাথে যোগাযোগ করেনি আমার কাছে যারা আসছে আমি তাদের কে করে দিয়েছি।

ওনাকে আমার কাছে পাঠায়েন আমি উপজেলায় পাঠিয়ে নিবন্ধন করে দেই।