পেটের তাগিতে করোনা কে উপেক্ষা করে রাস্তায় নামতে বাধ্য খেটে খাওয়া মানুষেরা

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধিঃ ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে হাজারো কর্মজীবি নারী – পুরুষ যানবাহনের অপেক্ষায় পেটের তাগিতে কর্মস্থলে যোগদান করতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে হাজারো কর্মজীবি নারী – পুরুষ যানবাহনের অপেক্ষায়।। চাকরী বাঁচাতে ও বেতন পেতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে উঠে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। করোনার ভয় গার্মেন্টস কর্মীদেরকে ঠেকাতে পারেনি। পেটের তাগিতে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, সাভারে ছুটছে কর্মজীবি নারী-পুরুষ। কেউ হেটে বা ট্রাকে- যে যার মতো ছুটছে।

আগামীকাল রোববার সকালে গার্মেন্টস কর্মীসহ অনেক বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদেরকে কাজে যোগদান করতেই হবে। তা না হলে তারা বেতন পাবেনা এবং অনেকেরই চাকরী হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এমনই আশংকার কথা জানান গার্মেন্ট কর্মীরা। একারনে হাজারো গার্মেন্টস কর্মী আজ শনিবার ভৈরব বাস্ট্যান্ডে ভীড় জমায়। ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে বেলা ১১টা থেকে দেখা যায় স্থানে স্থানে ঢাকামুখী গার্মেস কর্মিদের ভীড়।

হাওর অঞ্চল ও ব্রাক্ষণবাড়ীয়া, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সকালে বাসট্যান্ডে পৌঁছে তারা যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। দুপুর পর্যন্ত অনেকেই কোন যানবাহন পায়নি। তবে মাঝে – মধ্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খালি ট্রাকে ও পিকঅ্যাপে উঠে অনেককেই কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। আবার কেউ রিক্সা বা কেউ হেটে রওনা হচ্ছে গন্তব্যের উদ্দ্যেশে। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অসংখ্য লোকজন জমায়েত দেখে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা এদেরকে সরানোর চেষ্টা করলে তাড়া খেয়ে ও তারা আশেপাশের গোপন স্থানে দাঁড়িয়ে থাকে। অনেক গার্মেন্টস নারী কর্মী কর্মস্থলে যোগ দিতে তাদের ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কর্মস্থলে যেতে না পারলে বেতন বোনাস না পাত্তয়া সহ চাকুরী হারানোর ভয়ে করোনা কে উপেক্ষা করে তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছে বলে তাদের দাবী।