পূর্বধলায় কীটের অভাবে নমুনা সংগ্রহ না করেই তড়িঘড়ি দাফন, আতংকে এলাকাবাসী

 জাহাঙ্গীর আলম নেত্রকোণা প্রতিনিধি: করোনা ভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ সবগুলো লক্ষণ শ্বাসকষ্ট, জ্বর, গা ব্যথা ও কাঁশিতে আক্রান্ত হয়ে সিদ্দিক মিয়া (৪৫) নামে এক বয়স্ক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। অথচ প্রাণঘাতি এই করোনা ভাইরাস তার শরীরে ছিলো কি না তা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ না করেই দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩এপ্রিল) সন্ধ্যায় নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার পূর্ব ঝারিয়া গ্রামে মারা যান সিদ্দিক মিয়া। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিক মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও ছোট ভাই চাঁন মিয়া প্রায় ১৫দিন পূর্বে চট্রগ্রাম থেকে এলাকায় আসে। এলাকায় আসার কিছুদিন পরেই ছেলে সাইফুল ইসলাম অসুস্থ্য হয়, পরবর্তীকে পিতা সিদ্দিক মিয়ার শরীরে গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর, কাঁশি, শ্বাসকষ্ট, গা ব্যাথা দেখা দেয়। স্থানীয়ভাবে ডাক্তার দেখিয়ে অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (২৩এপ্রিল)সন্ধ্যার দিকে গ্রামের বাড়িতে মৃত্যু হয়।

সিদ্দিক মিয়ার মৃত্যুর পর পরই রাতেই তড়িঘড়ি করে দাফন করে ফেলে। পরীক্ষা না করেই সিদ্দিক মিয়ার মৃত্যু করোনায় নয় উল্লেখ করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদ আক্তার বলেন, নমুনা সংগ্রহ সম্ভব না, খুব তাড়াতাড়ি তার দাফন করা হবে তাছাড়া নমুনা সংগ্রহ করার কীট আমাদের কাছে নেই, তাই নমুনা সংগ্রহ করা যাবে না। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন তাজুল ইসলাম বলেন, পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্য্যাপ্ত পরিমাণ নমুনা সংগ্রহ কীট সরবরাহ করা হয়েছে। এদিকে সিদ্দিক মিয়া মৃত্যুর ঘটনা গ্রামে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গোটা ইউনিয়নে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন পেশার মানুষ নানা মন্তব্য করছেন। তার শরীরে করোনাভাইরাস ছিল কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষা না করায় গ্রামবাসি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।