পানি কমতে শুরু করেছে , দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন

কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি। কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও জামালপুরে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে।

গাইবান্ধায় বন্যার পানি কিছুটা কমলেও কমেনি দুর্ভোগ। পানিবন্দী দিন কাটাচ্ছেন সদর, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। অন্যদিকে বন্যার পানি কমতে থাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন।

জামালপুরেও বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি কমলেও ৭টি উপজেলার ৪৯টি ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকা বন্যায় তলিয়ে আছে। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় এসব এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রের ১৫টিরও বেশি এলাকায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বাড়িঘর, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ভাঙন রোধে বালির বস্তা, জিও ব্যাগ ফেলে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।