নোয়াখালীতে পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে তরণীকে ধর্ষণ; যৌন নির্যাতন নেটওয়ার্কের শাস্তি দাবী

 মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে এক তরুণীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার দুই জন হলেন- চাটখিল উপজেলার মধ্যভীমপুরের নাঈম হোসেন ও তার সহযোগি ইউসুফ সুদান।

আসামীদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় চাটখিল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। নেটওয়ার্ক নেতৃবৃন্দ জানান, মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্নীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ওই তরুণীর বাবা পরিবার পরিজন নিয়ে গত ছয় বছর যাবৎ চাটখিল থানা এলাকার ভীমপুর গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নাঈম ওই তরুণীর (১৭) বাসায় যায় এবং ঘরে ঢুকে তরুণীকে তার বাবা-মা কোথায় জিজ্ঞেস করে দোকানের বাকী টাকা চায়।

এ সময় তার বাবা-মা বাড়িতে নেই বললে নাঈম তার মুখ চেপে ধরে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তরুণীর চিৎকারে আশেপাশের ভাড়াটিয়া ঘটনাটি দেখে নাঈমকে আটক করে রাখে। তারা থানা পুলিশকে ঘটনা জানানোর চেষ্টাকালে নাঈমের বন্ধু একই এলাকার ইউসুফ সুদানি এসে তাদের মারধর করে নাঈমকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় এবং হুমকি দিয়ে যায় এঘটনায় বেশি বাড়াবাড়ি করলে বা আইনের আশ্রয় নিলে তাদের পরিণতি ভালো হবে না। পরদিন সন্ধ্যায় মেয়েটির বাবা নাঈম ও ইউসুফকে আসামী করে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত রবিবার সকালে ভূক্ত ভোগিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ও ২২ধারা জবানবন্দির জন্য জেলা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আসামীদেরও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা: সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, তরুণীকে(১৭) গত রবিবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সব আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানিয়েছেন নোয়াখালী যৌন নির্যাতন নির্মূল নেটওয়ার্ক।