নেত্রকোণায় হাতুড়ে চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় মরণাপন্ন এক গৃহবধূ 

নেত্রকোণা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার কলমাকান্দায় হাতুড়ে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায়   মরণাপন্ন অবস্থায় নাজমা আক্তার নামের এক গৃহবধুকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধু হচ্ছেন,  উপজেলার বিশারা গ্রামের মো. সাজল মিয়ার স্ত্রী।

শুক্রবার রাতে  গৃহবধূ নাজমার অবস্থা সংকটজনক হওয়ায়  কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে -শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে   নাজমার শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিলে পরিবারের লোকজন উপজেলার সদরের মিম মেডিকেল হলে পল্লী চিকিৎসক মো. শহীদ মিয়ার কাছে নিয়ে যান। এসময় শহীদ মিয়া একটি ব্যবস্থাপত্রসহ নিজের ফামের্সী থেকে কিছু ওষুধ দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে  ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী আরেক পল্লী চিকিৎসক মো. আলী আজগর অসুস্থ গৃহবধূর শরীরে  স্যালাইন ও অন্যান্য ইনজেকশন দেন। এরপর পরই ওই গৃহবধূ অবস্থার আরো অবনতি হয়ে প্রান সংশয় দেখা দেয। এ অবস্থায় ওই দিন দুপুরে নাজমাকে  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান পরিবারের লোকজন। শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূ নাজমার অবস্থা আরো অবনতি হলে ময়মনসিংহ  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আশেক উল্লাহ খান।

ডা. আশেক উল্লাহ খান জানান,  গৃহবধূর শরীরে পুশ করা স্যালাইনটি মেযাদ উত্তীর্ণ ছিল।তাছাড়া নাজমাকে সঠিক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়নি।এতে করে নাজমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।