নেত্রকোণায় শুরু হয়ছে অবৈধ বালু উত্তোলনের রমরমা ব্যবসা

জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার জেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীর ইজারা না থাকা শর্তেও রাতের আঁধারে এমনকি দিনের বেলায়ও চলছে বালু উত্তোলনের মহা উৎসব।

জেলা সদরে ঠাকুরাকোনা ও বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়ের ৪ নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম কাজল দলীয় প্রভাব কাটিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই বালু উত্তোলনের ফলে বারহাট্টা ফকিরের বাজারে যাওয়ার রাস্তা ও ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পরছে নদীর কবলে। অসহনীয় দূর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকার লাখো মানুষ। এ অবৈধ বালু নিয়ে রাতের আধারে বালুবাহী ট্রাক ও ট্রলি চলাচল করছে নির্দ্বিধায়।

ফলে কোটি কোটি টাকার রাস্তা ভেঙ্গে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সদর উপজেলার ঠাকুরাকোণা ইউনিয়নে রফিকুল ইসলাম রবি,আব্দুর রহমান,এবং পাশেই বারহাট্ট উপজেলার ২নং সাহতা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম কাজল দিনের বেলায় বালু উত্তোলন করছেন। অবৈধভাবে সাদা বালু উত্তোলন করে চালিয়ে যাচ্ছেন এই ব্যবসা।

উল্লেখ্য, গত বছর সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা এবং সাহতা ইউনিয়নের ইউপি সদস্যসহ ঐ এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতে মোটা অংকের টাকা জরিমানা করার পর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বালু ব্যবসায়ী কাজল মেম্বার। কিন্তু এবছর কোনো এক রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন।

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোরশেদ জানান, তথ্য পাওয়ার পর আমি সাহতা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওর্য়াডের সদস্য শফিকুল ইসলাম কাজল কে ডাকিয়ে ছিলাম ছিলাম আমার অফিসে তাকে নিষেধ করে দিয়েছি এরপর যদি এমন করে তাহলে তার বিরোদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান,গত বছর অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দাঁয়ে বড়য়ারী এবং ইউপি সদস্য সহ বালু ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়,এবছর যদি তারা আবার এইসব করে থাকে তাহলে ডিসি স্যারের সাথে কথা বলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।