নেত্রকোণায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতি , নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকাণায় গত কয়েক দিন ধরে অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় বন্যা পরিস্তিতির আরো অবনতি হয়েছে।

কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, বারহাট্টা, সদর নিম্মাঞ্চল নতুন নতুন এলাকা ছাড়াও হাওরাঞ্চলর মদন ও খালিয়াজুরীর উপজলার নিম্মাঞ্চল নতুন কর প্লাবিত হয়েছে। এতে করে ২০টি ইউনিয়নর লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয় পড়েছে। পাহাড়ি ঢলে দুর্গাপুরের গাঁওকাদিয়া ইউনিয়নর বদ উষান গ্রামর নতাই নদীর বেরিবাধটি ভেঙ্গে ১৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পুকুর তলিয়ে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ১০ লক্ষাধীক মাছ ধসে গেছে বন্যার পানিতে। জেলার ৫ উপজলার আমন ধানর বীজতলা তলিয়ে গেছে। মদনে একটি গুছ গ্রামে বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় সেখানের বাসিদারা দুর্ভোগে পড়েছেন। কলমাকাদা ও খালিয়াজুরীতে বন্যা আশ্রয় কেদ্রেগুলোতে শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বয়স্ক ও শিশুদের পাশাপাশি পোষা প্রাণি নিয়ে বিপাকে রয়েছেন পানি বন্দি পরিবারগুলো। সাধারণ মানুষ নৌকা ও কলার ভেলা তৈরি করে প্রয়াজনীয় কাজ সেরে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তলিয়ে গেছে বেশীর ভাগ গ্রামীণ সড়ক। প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে।

নেত্রকোণা পানি উনয়ন বোর্ড সূত্রে জানায়,উব্দাখালী নদীর পানি কলমাকাদা পয়েন্ট ৩৭ সটিমিটার, সোমেশ্বরী নদীর পানি দুর্গাপুর পয়েন্ট ৩৩ সটিমিটার, বিজয়পুর পয়েন্ট ১ সেন্টিমিটার কংশ নদীর পানি জারিয়া পয়েন্ট ২০ সেন্টিমিটার ও কংশ নদীর পানি নেত্রকানা পয়েন্ট ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে দুর্গাপুর,কলমাকান্দা ও খালিয়াজুরীর প্রতিটি উপজেলায় ২০ মেট্রিকটন করে চাল এবং দুর্গাপুর ও কলমাকাদায় ৪ শত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারের পেকেট পাঠানো হয়েছে।