নেত্রকোণায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপর হামলা আটক ১

জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় গরু ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাযলয়ের এক শিক্ষার্থী ও তার মাকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার পর ঢাবির নিরাপত্তা মঞ্চের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেয়ার পর- ঘটনাটির প্রতিবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম রাব্বানী।

তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন। আজ বুধবার দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের আকতা পাড়া গ্রামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া কেয়া আক্তার শিক্ষার্থীকে মারপিটের ঘটনায় এক যুবক কে গ্রেফতার করেছে কলমাকান্দা থানা পুলিশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী কেয়া আক্তার কাকলি। সে উপজেলার ইউনিয়নের আকতাপাড়া গ্রামের মৃত আবু সামার মেয়ে। আটককৃত যুবক লালচান (২৮) পার্শ্ববর্তী গুমাই গ্রামের আব্দুর রেজাক রাজুর ছেলে। মারপিটের ঘটনায় অপর অভিযুক্ত সহোদর আপেল ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে।

আহত কেয়া আক্তার কাকলি প্রতিনিধিকে জানান আমাদের বাড়ির সামনে ওই যুবকদের জমিতে আমাদের গরু ধান খাওয়ার অজুহাতে বাছুরকে বেধড়ক পিটিয়েছে এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে গেলে আমাকে আমাকে মারপিট শুরু করে এবং আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ সোহেল রানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পেরে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান এবং ওই শিক্ষার্থীর খোঁজখবর নেন। কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল মামুন জানান আহত কাকলি আক্তার এখন শঙ্কামুক্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান খবর শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অপরজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে মামলা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ফখরুল আলম জুয়েল ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমিন নেলী।