নেত্রকোণায় করোনার দিনেও হয়রানির শিকার প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীরা

জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোণাঃ নেত্রকোণায় করোনার দিনেও প্রতিবন্ধীরা ভাতার টাকা না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তিন থেকে চার বছর পূর্বে তারা ভাতাভোগী হিসাবে তালিকাভুক্ত হলেও ৩মাসের ভাতার ২১শত টাকা পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ভাতার টাকার জন্য যোগাযোগ করলে ব্যাংক থেকে ভাতাভোগীদের তারিখ দেয়া হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট তারিখে ব্যাংকে যোগাযোগ করে ৩মাসের টাকা না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

ভাতাভোগীরা জানান, দূর-দূরান্ত থেকে কষ্ট করে রিকশা ভাড়া দিয়ে ব্যাংকে যোগাযোগ করলে ৯মাসের মধ্যে ৬মাসের ভাতার অর্থ দিয়ে আমাদের বিদায় করে দেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আজ রবিবার সকালে পৌরসভার ভাতাভোগীরা দলবেঁধে সোনালী ব্যাংকে নেত্রকোণা শাখায় ভাতার অর্থ তুলতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৯মাসের (এপ্রিল-ডিসেম্বর/২০১৯) মধ্যে ৬মাসের ভাতা দিয়ে তাদেরকে বিদায় করে দেন। বিগত ৩মাসের (এপ্রিল-জুন/২০১৯) ভাতার টাকার বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট জানতে চাইলে ভাতাভোগীদের সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা অফিসে যোগাযোগ করার কথা বলেন।

পৌরসভার শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী ছোয়াদের পিতা সাইফুল ইসলাম জানান, কষ্ট করে রিকশা ভাড়া করে এসে ৯মাসের ভাতার টাকার মধ্যে ৬মাসের অর্থ দিয়ে আমাকে বিদায় করে দেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বিগত ৩মাসের ভাতার টাকার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সমাজ অফিসের কথা বলে আমাকে বিদায় করে দেন। শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, করোনা মহামারির কারণে এখন অফিস বন্ধ, অফিস খোলা হলে যোগাযোগ করুন।

সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক মোঃ আলাল উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, তালিকা দেখে বলতে হবে কেন বিগত দিনের ভাতার অর্থ পান নাই প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীরা ।