নেত্রকোণার বারহাট্টায় বন্যায় চার গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির বেহাল দশা

মামুন কৌশিক, বারহাট্টা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডেমুড়া , সাবানিয়া,জিনাইপুরী ও খালপাড় সহ চার গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি কয়েক জায়গায় ভেঙ্গে গিয়েছে এবং বর্তমানে সেই রাস্তাটির অনেকটা অংশ পানির নিচে চলে গেছে।

এলাকাবাসী তাদের নিজেদের উদ্দ্যোগে সেই ভাঙ্গা অংশে সাকোর ব্যবস্থা করেছেন।সেই গ্রামের মানুষজন চলাচলের ক্ষেত্রে বর্তমানে সীমাহীন দূর্ভোগের মধ্যে থাকলেও কোন চেয়ারম্যান, মেম্বারই এখন পর্যন্ত রাস্তাটি স্থায়ীভাবে ঠিক করার উদ্দ্যোগ নেয়নি বলে দাবী এলাকাবাসীর।এ বিষয়ে দক্ষিণ ডেমুড়া গ্রাম নিবাসী ও বারহাট্টা কারীগরী ও বাণিজ্যিক কলেজের প্রভাষক কামরুল হাসান বলেন যে, আমরা ছোট বলা থেকে দেখছি রাস্তাটি খুব খারাপ।

এত বছর পরেও রাস্তাটি স্থায়ী ভাবে ঠিক হয়নি।কয়েকবার নাম মাত্র কাবিকা প্রকল্পের আওতায় সামান্য মাঠি কাটানো হয়েছিল।কিন্তুু রাস্তাটি ধলী বিলের তীরে হওয়ার বিলের প্রচন্ড ঢেউ মাঠি ভেঙ্গে নিয়ে যায় প্রতিবারই।ধলী বিলের পাশ দিয়ে যাওয়া এই রাস্তাটি ঠিক না হওয়ায় দক্ষিণ ডেমুড়া, জিনাইপুরী, খালপাড়, সাবানিয়া সহ সংশ্লিষ্ট আশে পাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ সীমাহিন কষ্ট করছেন।

তারা তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে বিক্রি করতে পারছেন না,কোন রোগীকে হাসপাতালে নিতে না পারা সহ বর্ষাকালে ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলেও যেতে পারছে না।ওই কলেজ শিক্ষক আরো বলেন যে,আমরা ভোট দিয়ে মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জনাব আশরাফ আলী খান খসরু ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম ভাইকে নির্বাচিত করেছি।

তারা যেন নিজ উদ্দ্যোগে যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটিতে মাঠি কাটানোর ব্যবস্থা করেন এবং পাকা রাস্তাতে রুপান্তর করে আামাদের ডেমুড়া বাসীর দুঃখলাঘব করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।ডেমুড়া গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী এংরাজ আলী বলেন যে, এই রাস্তাটি আমাদের ছোট বেলা থেকেই এমন।এখন আমাদের দাবী যেন যত দ্রুত সম্ভব এটাকে ঠিক করা হয়।

তবে এই রাস্তাটি কেন এত দিন ধরে মাঠি কাটানো হয়নি এটা জানার জন্য সাহতা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান পল্টন সরকারের ফোনে বারবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি।