নির্বাচনী হাওয়া ঢাকা উত্তর সিটিতে

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন প্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকদের মনে বইছে নির্বাচনী আমেজ। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা মাঠ গোছাচ্ছেন নিজেদের মতো করে

সব দলের অংশগ্রহণে ৩০শে জানুয়ারি ভোট উৎসবের মাধ্যমে ভোটাররা প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন বলে প্রত্যাশা সম্ভাব্য প্রার্থীদের।

এখনো বাকি অনেক আনুষ্ঠানিকতা।  তবুও শুধু তফসিল ঘোষণার পরই উজ্জীবিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক আওয়ামীলীগের নেতারা।

৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আসিফ আহমেদ বলেন, “আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেমন আশা করেছেন যে সুন্দরভাবে একটা সুষ্টু দেশ গড়ার, সেভাবে সুষ্ঠু ও সুন্দর একটা ওয়ার্ড আমি আগে তৈরি করতে চাই।”

৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী বলেন, “এই এলাকাকে একটি সুন্দর ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব এবং এই এলাকা থেকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক প্রভৃতি সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।”

যোগ্যতা দিয়েই রাজধানীতে জনপ্রিয়তা ধরে রাখার প্রত্যাশা জানালেন ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক বলেন, “সৎ, ত্যাগী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো দিক থেকে আমি পিছিয়ে থাকব না।  আপা আমাকে নিশ্চয়ই মূল্যায়ন করবেন।”

২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের  মনোনয়ন প্রত্যাশী আশিকুল ইসলাম আশিক বলেন, “আমি জরগণের শাসক হতে চাই না, আমি সেবক হতে চাই। জনগণের জন্য কাজ করতে হলে চেয়ারে বসেই কাজ করতে হবে, এমন কোনো বিষয় না।”

জাতীয় নির্বাচনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজধানীর এই দুই সিটির নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপিও।

৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মানিক হাসান রাজু বলেন, “বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে আমরা তা ভালোই মনে করি। উনারা আসলে নির্বাচনটা খুব হাড্ডা হাড্ডি হবে, ভালো হবে, খুব সুন্দর হবে।”

তবে, আনুষ্ঠানিক প্রচারাণা শুরু না হওয়ায় যার যার মতো করেই মাঠ গোছাচ্ছেন বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বলেন, “সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে একটি পরিবর্তনের জন্য। আমি মনে করি জনগণ আমাকে সাদরে গ্রহণ করবে, এবং আমাকে বিজয়ী করবে।”

২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “যদি আমরা নির্বাচনে যাই, সেই নির্বাচনে লড়াই আমাদের শেষ পর্যন্ত করতে হবে, এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই করলে অবশ্যই রেজাল্ট অন্য দিকে যাবে।”

৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. জুয়েল রানা বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনীত করে তবে ভোটে একটা নীরব বিপ্লব হওয়ার সম্ভাবনা আছে আমাদের তিন নম্বর ওয়ার্ড থেকে।  তাহলে আমি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করব।”

তফসিল অনুযায়ী আসছে ৩০শে জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।