নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চরজব্বার থানা পুলিশ সচেষ্ট আছে” ওসি জিয়াউল হক

মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, সুবর্ণচর প্রতিনিধি: নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলায় আগামি ১১ এপ্রিল ৮ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত হবে ইউপি নির্বাচন ২০২১।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিএনপি দলীয় প্রতিকে ভোট না করলেও প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থীর নাম শুনা যাচ্ছে।

এরই মধ্যে ৬টি ইউনিয়নে নৌকা প্রতিক পেতে চলছে প্রভাবশালী আওয়ামি লীগ নেতাদের দৌঁড়ঝাপ।

এরই মধ্যে দলীয় এবং সতন্ত্র অনেক প্রার্থী মতবিনিময় সভা, উঠোন বৈঠক, গণসংযোগ, হাট বাজারে গিয়ে মাঠ গরম করে তুলছেন,

দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। অনেকেই কেন্দ্রীয় (গোপন) গ্রীন সিগনাল পেয়ে আছেন খোশ মেজাজে।

অনেকেই আছেন দূশ্চিন্তায়। কে হবেন নৌকার মাঝি? এ প্রশ্ন সবার মাঝে। ভোটাররা ও আশা করছেন অতিতের চেয়ে অন্তত এই নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ হবে।

ছয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে, ২ নং চরবাটা ইউনিয়নে সুবর্ণচর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আমিনুল ইসলাম রাজিব,

সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আব্দুর রহমান খোকন। ৩ নং চরক্লার্কে এডভোকেট আবুল বাসার, আওয়ামি লীগ নেতা হানিফ, সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামি লীগ নেতা সাহাব উদ্দিন।

৪নং চর ওয়াপদা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামি লীগ নেতা মনির আহমেদ, ডাক্তার আব্দুল মান্নান ভূইঁয়া,

সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আকবর হোসেন ওরপে আকবার ডুবাইয়ালা। ৬নং চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামি লীগ নেতা অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন,

সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক চেয়ারম্যান এনায়েত উল্যাহ বাবুল, বেলাল হোসেন সুমন। ৭নং পূর্বচরবাটা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামি লীগ নেতা আবুল বাসার মঞ্জু এবং রহমান,

সতন্ত্র প্রার্থী হিসবে মহি উদ্দিন মাস্টার। ৮নং মোহাম্মদপুরে আওয়ামি লীগ নেতা বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ,

ইমরান হোসেন, মহিউদ্দিন, সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নুর ইসলাম আজাদ এর নাম শুনা যাচ্ছে। সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠ নির্বাচন প্রস্তুত করতে ব্যপক প্রস্তুতি গ্রহন করবে বলে জানান

নির্বাচন কমিশন অফিস কর্মকর্তা বিমলেন্দু পাল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন,

“ক্ষমতাসীন দলের যে কোন প্রার্থীর প্রচার প্রচারনায় বাঁধা না দিলেও আমরা যারা সতন্ত্র প্রার্থী আছি আমাদের করোনার অজুহাত দেখিয়ে প্রচার প্রচারনায় বাঁধা সৃস্টি করছে,

আমরা চাই লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড, দলমত নির্বিষেশে যে বা যারাই প্রার্থী হবেন সবাইকে প্রচার প্রচারনায় সমান সুযোগ দিতে হবে,

নয়তো সুষ্ঠ নির্বাচন এবং মানুষের সমঅধিকার ও ভোটারধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। কেউ মাঠ ধাপিয়ে প্রচার প্রচারনা চালাবে আবার কাউকে নানা অজুহাতে হয়রানি করা হবে এমনটা যেন না নয়।

এদিকে প্রতিবারের মত প্রতিপক্ষের আক্রমনাত্বক আচোরন, হামলা, ভাংচুর ও আইন শৃঙ্খলা যেন অবনতি না হয়,

সেজন্য প্রস্তুত রয়েছে চরজব্বার থানা পুলিশ। ১৪ ই মার্চ (রবিবার) এক সাক্ষাতকারে চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক তরিক খন্দকার বলেন,

নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় নির্বাচনী যে কোন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চরজব্বার থানার চৌকষ পুলিশ সদস্যগণ সচেষ্ট আছে।

তিনি ৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার প্রার্থীদের নির্বাচনী আচোরনবিধি মেনে উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা পরিচালনার জন্য আহবান জানান।