নারায়নগঞ্জ ফেরতরাই চাঁদপুরে করোনা বিস্তারের কারণ

 মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধি:একজন চিকিৎসকসহ চাঁদপুরে এ পর্যন্ত ৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনই নারায়ণগঞ্জ ফেরত চাঁদপুরের জামাই। এর মধ্যে মতলব উত্তরে দুজন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) করোনায় আক্রান্ত হন। নারায়ণগঞ্জ ফেরত অপর এক ব্যক্তি শনিবার সন্ধ্যায় করোনার উপসর্গ তথা সর্দি, কাশি,গলা ব্যথা নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি গত ১এপ্রিল তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শশুর বাড়ি সদর উপজেলার কামরাঙ্গা গ্রামে আসেন। স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে করোনা পরীক্ষার উপকরণ সংগ্রহ করেছেন।এ জন্য অনেকেই বলাবলি করতে শুনা যায় চাঁদপুর জেলায় করোনা বিস্তারের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে নারায়নগঞ্জ ফেরত জামাই বাবুরা। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হিসেবে সনাক্ত ৪জনের মধ্যে ৩জন’ই মতলব উত্তরের। এদের মধ্যে ২জন নারায়নগঞ্জ ফেরত ও ১জন ওইসব রোগীর সংস্পর্শে আসা চিকিৎসক। অন্যজন চাঁদপুর সদরের বাসিন্দা। তিনিও নারায়নগঞ্জ ফেরত। গতকাল করোনায় আরো একজন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে সদর উপজেলার লক্ষ্মিপুর মডেল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সসাধারন সম্পাদক আরশাদ মিজির মেয়ের জামাতা নান্নু সেও নারায়নগঞ্জ থেকে চাঁদপুরে শশুড় বাড়ি এসে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।অর্থাৎ নারায়নগঞ্জ থেকে আসা লোকের মাধ্যমেই চাঁদপুরে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়ে গেছে। করোনাভাইরাসে চাঁদপুর জেলার ৪জন আক্রান্ত বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) যে তথ্য শনিবার তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে অবশেষে তা নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন। রোববার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি জানান, আরো ২জনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। অথাৎ আগের ২জনসহ মোট ৪জন করোনা আক্রান্ত হিসেবে সনাক্ত হয়েছেন। সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ রোববার সকালে জানান, নতুন করে আক্রান্তদের একজন মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার ও অন্যজন চাঁদপুর সদর উপজেলার বহরিয়া এলাকার (৪০)। সদর উপজেলায় এই আক্রান্ত রোগীও নারায়নঞ্জ থেকে এসেছেন।