নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরনে দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নারায়ণগঞ্জের মসজিদে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। রাষ্ট্রপতি আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২৬ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। বেশিরভাগের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৯০ শতাংশের বেশি পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি ।

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ, শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন ৩৭ জনের মধ্যে শিশু ও মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ ১২ জন মারা গেছেন। সকালে হাসপাতালের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এসময় তিনি আরও জানান, বাকিরাও রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
ডাক্তাররা জানিয়েছেন, সবারই অবস্থা সংকটাপন্ন, কমবেশি সবারই পুড়েছে শ্বাসনালী।

তল্লা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাত পৌনে ৯টায় মসজিদের ভেতরে থাকা এসি বিস্ফোরিত হয়। এতে মসজিদের ভেতরে মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন তারা। এসময় অনেকেই দগ্ধ ও আহত হন। স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে দেখেন, মাটিতে পড়ে আছে বহু মানুষ। মসজিদের ভেতরে থাকা ৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের সবগুলো বিস্ফোরিত হয়েছে। বিস্ফোরণে এসির যন্ত্রাংশ বেরিয়ে গেছে। ভেঙ্গে গেছে মসজিদের ভেতরের সব কাঁচের দেয়াল। মসজিদের ফ্যানগুলোও বাঁকা হয়ে গেছে। বিস্ফোরণে অনেকেই দগ্ধ হয়েছেন, আতংকে হুড়োহুড়ির কারণে আহতও হয়েছেন অনেকে।