নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রাকাব এমডি’র খামার পরিদর্শন ও মতবিনিময়

সাজেদুর রহমান, নাটোর প্রতিনিধিঃ করোনাকালীন সময়ে যে সকল উদ্যোক্তা ও খামারিরা বিভিন্ন ভাবে পিছিয়ে পড়েছিলেন তাদের সহায়তা দিতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা হিসেবে মাত্র ৪% মুনাফায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) বাগাতিপাড়া শাখা নাটোরের বাগাতিপাড়ায় কয়েকটি প্রকল্প বা খামারীকে এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করে সহযোগিতা করেছে।

বাগাতিপাড়ার উপজেলার সরকারি প্রণোদনা প্রাপ্ত ঐসকল খামার গুলি পরিদর্শন এবং খামারিদের সাথে মতবিনিময় করেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম সাজেদুল রহমান খান। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ১টি মৎস্য খামার, ১টি পোল্ট্রি খামার এবং একটি মিশ্র খামার পরিদর্শন করেন তিনি।

খামার পরিদর্শনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, মহা ব্যবস্থাপক জি এম রুহুল আমিন এজিএম শওকত শহিদুল ইসলাম, শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম জোনাল ম্যানেজার সহ রাকাব বাগাতিপাড়া শাখার ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন। এ সময় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি এ কে এম সাজেদুর রহমান খান বলেন,

এই করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ এর মহামারি কালীন সময়ে রাজশাহী অঞ্চলের ভূমিহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকার যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রেরিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দারিদ্র্য বিমোচন ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে রাকাব। এসব কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে দল ও ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণ বিতরণ করা হয়।

প্রচলিত জামানত নির্ভর ঋণ নীতির পরিবর্তে নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে জামানতবিহীন ঋণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচিগুলির মধ্যে ছাগল পালন কর্মসূচি, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামার পদ্ধতিতে শস্য নিবিড়করণ প্রকল্প, রাকাব আত্মনির্ভর ঋণ কর্মসূচি, স্ব-নির্ভর ঋণ কর্মসূচি, মহিলা উদ্যোক্তা উন্নয়ন ঋণ প্রকল্প, প্রতিবন্ধীদের জন্য ঋণ কর্মসূচি,

ভেষজ বাগান/নার্সারি স্থাপন ঋণ কর্মসূচি, শস্য গুদাম ঋণ প্রকল্প ও দারিদ্র্য শূন্য বিশেষ ঋণ কর্মসূচি অন্যতম। সম্প্রতি দেশের সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ভোগ্য পণ্যের চাহিদা পূরণ ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য ‘ভোক্তা ঋণ প্রকল্প’ ও ‘চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ ঋণ’ কর্মসূচি চালু করেছে।