নাইক্ষ্যংছড়ির এক করোনা রোগী ভুল তথ্য জটিলতা তৈরী

রানা মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের এক নারী করোনা পজিটিভ হওয়ার ঐ নারীর নিজের নাম,ফোন নাম্বার ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে খোঁজ পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ কে।এতে অনেকটা আতংক ছড়িয়ে পরে নাইক্ষ্যংছড়িতে। এ বিষয় নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্ববাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি।তিনি জানান,করোনা আক্রান্ত ওই নারী ২৬এপ্রিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোরের চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগীর জ্বর ও সর্দিকাশির শুনে চিকিৎসক নমুনা সংগ্রহ করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠান, পরে দিন রিপোর্ট পজিটিভ আসে।এর পর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানান,করোনা সনাক্ত রোগীর স্বাস্থ্য বিভাগের রেজিষ্ট্রারে নাম,ঠিকানা লিপিবদ্ধ করা অনুযায়ী নাম ঠিকানায় রোগী খোঁজ নিতে গিয়ে প্রকৃত রোগীর নাম ও ঠিকানা ভুল দেওয়াতে বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়। তবে এলাকায় মেম্বারসহ এলাকাবাসীর সহযোগীতায় প্রকৃত রোগী কে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।বর্তমানে রোগী হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে আছেন।ন্যাশনাল গাইড লাইন নিয়মে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীরা জানান,রেজিষ্ট্রাড়ে নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করা নারী হলো করোনা পজিটিভ সনাক্ত হওয়া নারীর আপন ননদ।দীর্ঘদিন ধরে ননদ ভাবীর মধ্যে ঝগড়া ছিলো।
রোগীর স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভালো নেই। সেই নিজের তথ্য গোপন রেখে ননদের নাম,ঠিকানা কেন লিপিবদ্ধ করতে বলেছে তার জবাব বরতে নারাজ। করোনাঅন্য এক সুত্রে জানা যায়, প্রকৃত রোগী সনাক্ত করতে গিয়ে থমকে যায় স্বাস্থ্য কর্মীরা।লিপিবদ্ধ করা নাম ও ঠিকানা অনুযায়ী নারীটির কাছে গেলে নমুনা দেয়ার কথা অস্বিকার করে বলেন,আমি কোন নমুনা দেয়নি।তবে আমার নাম,ঠিকানা ও ফোন নাম্বার সঠিক।এর পর এলাকার লোকজন উৎকন্ঠায় সময় পার করছে পুরো রাত।এসময় এলাকাবাসী খবর নিতে গিয়ে এক নারী কে সনাক্ত করে এলাকাবাসী।সেই নারী ও অস্বীকার করে, পরে স্বাস্থ্য বিভাগের নমুনা সংগ্রকারী কর্মচারী রাতে পৌছে নারী কে দেখে সনাক্ত করে। সনাক্ত নারীর আগে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু এলাকার কোনাপাড়া গ্রামের ঢাকা তাবলীগ ফেরত আবু ছিদ্দিক ও ওই নারী এক গ্রামের।