নলছিটি স্কুলছাত্রীর ধর্ষন করে শালিশের মাধ্যমে সমাধান

খালিদ হাসান, নলছিটি ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সরমহল গ্রামে দশম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি ধামাচাপা দিতে শুক্রবার দিনভর দৌড়ঝাঁপ করেছে স্থানীয় একটি মহল। থানা এবং ইউনিয়ন পরিষদে ছোটাছুটির পর শেষ পর্যন্ত

শুক্রবার বিকেলে ধর্ষকের বাড়িতে স্থানীয় কিছু লোকজন গ্রাম্য সালিশী বসায়। সালিশদারদের পরামর্শে

ধর্ষিতা মেয়েটির নামে ৫ কাঁঠা জমি লিখে দেয়ার সিদ্ধান্তে রাজী হয় অভিযুক্ত ধর্ষক আল আমিনের বাবা আঃ রশিদ খান।

এতেই ঘটনার রফাদফা হয়ে যায়। এদিকে কুশঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন,

দুই পক্ষের লোকজন শুক্রবার সকালে আমার কাছে এসে ঘটনা মিমাংসা করে দিতে বলে। আমি পরিষ্কার বলে দিয়েছি স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের

সালিশ মিমাংসা এখানে হবে না। তোমরা থানার ওসি অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যাও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে

স্থানীয় বেশ ক’জন ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঘরের বাইরে বের হয় সরমহল

পুনিহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রী। দীর্ঘ সময় সে ঘরে না আসায় ঐ শিক্ষার্থীর বড় বোন

দরজা খুলে বাইরে নামার পর বাথরুমে না পেয়ে বাড়ির লোকজন নিয়ে খুঁজতে বের হয়। পরে একই গ্রামের ২৩ এপ্রিল

শুক্রবার সকালে ফরাজী বাড়ির সামনে জোড়া ব্রিজের রাস্তার পাশে অজ্ঞান অবস্থায় এলাকাবাসী মেয়েটিকে উদ্ধার করে।

সকালে অসুস্থ মেয়েটিকে ভ্যানগাড়ীতে করে তার ভাই, বোন, ভগ্নিপতি বাড়িতে নিয়ে যায় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

নলছিটি থানার ওসি মো. আলী আহম্মেদ বলেন স্কুল শিক্ষার্থী ধর্ষনের কোন অভিযোগ আমরা পাইনি।

আর গ্রাম্য সালিশ হয়েছে তাও আমার জানা নেই, কেউ আমাকে জানায়নি।