ধামরাইয়ে ৩০ থেকে ৩৫ মণ লালু ষাঁড় বিক্রয়ে প্রস্তুত জহির উদ্দিন

মোঃ আমিনুর রহমান, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃকরোনাভাইরাসের থাবায় বিধ্বস্ত সারা বিশ্ব। একই অবস্থা বাংলাদেশে ভাইরাসের কারণে থমকে গেছে সাধারণ মানুষের আয় উপার্জন। যে কারণে এবারের কোরবানির ঈদে লালু ষাঁড় বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন জহিরউদ্দিন।

আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য বড় আকারের সিন্নি ষাঁড় গরু প্রস্তুত করেছেন জহির উদ্দিন। গাঁয়ের রং লাল থাকায় এর নাম রেখেছেন লালু। যার বয়স সাড়ে তিন বছর। তবে বয়সে ছোট হলেও আকার এবং ওজনে বড় হয়েছে লালু। প্রায় দু’বছর ধরে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি মিষ্টি লাউ, কলা, মালটাসহ দামি খাবারে অভ্যস্ত লালুর। তবে করোনার শুরু থেকেই রয়েছে তাদের দামি খাবারের তালিকায় যাতে লালু ষাঁড়র শরীরে চর্বি হতে না পারে । এসব বিষয়ে জানতে চাইলে আজ শনিবার ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের মাদারপুর এলাকার গাছপাড়া জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে জহিরউদ্দিনের নিজ বাড়ি। জহির উদ্দিন বলেন, গেলো কোরবানির ঈদে ষাঁড় বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছিলো। তবে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় বিক্রি করা হয়নি। লালু ষাঁড়টির পেছনে এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৭ লাখ টাকা। আসন্ন ঈদে ন্যায্য দামে তাদেরকে বিক্রি না করতে পারলে বেশ বিপাকে পড়তে হবে বলে জানান তিনি। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন দূর দূরত্ব থেকে মানুষ আসে। কেউ যদি লালু ষাঁড়টি কিন্তে চান তাহলে এ নাম্বারে যোগাযোগ করোন ০১৭৯৬৪৯৬৯৮৮/ জহিরউদ্দিন।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় কৃত্রিম প্রজনন টেকনেশিয়ান বলেন, কালো ষাঁড়টির ওজন হবে আনুমানিক ৩০থেকে ৩৫ মণ। ষাঁড়টি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বড় হয়েছে বলেও জানান তিনি।