ধামরাইয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেন

মোঃ আমিনুর রহমান, ধামরাই (ঢাকা)প্রতিনিধিঃ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রামণরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন ধামরাই কলেজ শাখার সাবেক ভিপি ও ধামরাই পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও ধামরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেন।

এই দুর্যোগপুর্ণ সময়ে ধামরাই বাসীকে করোনা বিষয়ে সচেতন করতে ও কর্মহীনদের ঘরে থাকা পরিবার গুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন মোহাদ্দেছ হোসেন । মানুষের নিরাপত্তার জন্য নিজ অর্থে কয়েক হাজার মাস্ক বিতরণ করেন। উপজেলায় জনসমাগম কে নিরোতসাহিত করতে নিরলস ভাবে প্রতিদিন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে চলেছেন।

উপজেলার কর্মহীন ঘরে থাকা মানুষদের মধ্যে কেউ যেন অনাহারে না থাকে সে জন্য সকলের খোজ খবর রাখাসহ উনার সাধ্যমতে সাহায্য নিজে উপস্থিত থেকে পৌছে দিচ্ছেন। সরকারী সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্থ সবাইকে আনতে না পারায় তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে উপজেলার বিভিন্ন পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। নিজের জীবনে ঝুকি নিয়ে জনসার্থে প্রতিদিন সকাল হতে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

জনহিতকরন কর্মকান্ডে এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও মহল্লায় মানুষ বলতে শুরু করেছেন প্রতিটি জনপ্রতিনিধি যদি চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেনের মতো হতেন তবে বাংলাদেশ সোনার বাংলায় পরিনত হতো। হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দিচ্ছেন খাদ্য সমাগ্রী,মাস্ক সাবান হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

প্রচার করছেন, করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়। চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেন বলেন, ছাত্র অবস্থা থেকেই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি। জনসাধারণের প্রতিটি দুর্যোগে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। করোনা কালিন শুরু থেকেই মানুষদের মাঝে সচেতনতা করছি। তিনি আরো বলেন, আমি এপর্যন্ত উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে ঘুরে ৫০০০০ মাস্ক, ২০০০০ চারা গাছ বিতরণ করেছি। বিতরণ করেছি খাদ্য সামগ্রী ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান।

এই সমস্ত বিতরণ এখনো চলমান রয়েছে এবং করোনা কালিন সময় যতদিন থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা এই সমস্ত সচেতনতা ও বিতরণ কাজ চলমান থাকবে।