‘ধর্ষক’ মজনু যেভাবে ধরা পড়ে

ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর খোয়া যাওয়া মোবাইলের সূত্র ধরেই ধরা পড়েন রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ধর্ষক মজনু। আর ভুক্তভোগী ছাত্রীর দেয়া বর্ণনা মতে ধর্ষক মজনুর দু’টি দাত ভাঙ্গা ছিল, সেই বর্ণনার সাথে মিলিয়ে চিহ্নিত করা হয় তাকে। র‌্যাব বলছে, ঘটনার পর বেশ কয়েক জায়গায় আত্মগোপনে ছিল মজনু।
তাকে গ্রেপ্তার করতে, প্রযুক্তির সহায়তা নেয় র‌্যাব। ধর্ষণের সময় ভুক্তভোগী ছাত্রীর খোয়া যাওয়া মোবাইলের সন্ধান মেলে এক রিকশা চালকের কাছে। সেখান থেকেই মেলে অভিযুক্ত মজনুর সন্ধান।

র‌্যাব জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী অভিযুক্ত ধর্ষকের শারীরিক বর্ণনা দিয়েছিল তাদের। অভিযুক্তের সামনের দু’টি দাত ভাঙ্গা ছিল। সেই সব বর্ণনার সাথে মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে মজনুর পরিচয়।

অভিযুক্ত ধর্ষক মজনুর কাছ থেকে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ব্যাগ ও পাওয়ার ব্যাংকও উদ্ধার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব, বলছে, গ্রেপ্তারের পর ভুক্তভোগী ছাত্রীও নিশ্চিত করেছে ধর্ষক মজনুকে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের পরপরই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত ধর্ষক মো. মজনু। ঢাকা থেকে প্রথমে সে বিমানবন্দর রেল স্টেশন, নরসিংদী রেল স্টেশন, বনানী রেলস্টেশন এবং পরে শ্যাওড়া রেল স্টেশনে আত্মগোপন করে।