দৌলতপুরে স্কুল ছাত্রীকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, অতপর আত্মহত্যা

আছানুল হক, দৌলতপুর প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের পিপুলবাড়ীয়া গ্রামের নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে বাবা মা জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, দৌলতপুর থানা এলাকায় পিপুলবাড়িয়া ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই বাবর আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল ও অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চলাকালীন সময়ে জানতে পারে যে। পিপুলবাড়িয়া এলাকার মৃত হায়দার খাঁর ছেলে হাফিজুল ইসলাম খাঁর মেজো মেয়ে, পিপুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ২৬/৭/২০ ইং তারিখ বিকাল অনুমানিক ২ টার পরে তার মেজ চাচার পরিত্যক্ত বাড়ির একটি ঘরের ভিতর ডাপের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এমন সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জানতে পারে যে স্কুলছাত্রী ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি স্কুলছাত্রী বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে তাহার কথায় কোন কর্ণপাত করেননি তার পরিবারের লোকজন। ২৫ তারিখ পার্শ্ববর্তী উপজেলার কাতলামারী গ্রামের একটি ছেলেকে এনে পারিবারিকভাবে বিয়ের জন্য দেখানো হয়েছে মেয়েটিকে । এই বিষয়টি সইতে না পেরে এবং পরিবারের এমন আচরণের কারণে স্কুল পড়ুয়া মেয়ে টি গলায় ফাঁস নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানান পুলিশ,

পুলিশ আরো জানান,এমতাবস্থায় স্কুল পড়ুয়া মেয়েটিকে উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতাল নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন । দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায় , স্কুল পড়ুয়া মেয়েটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়ে সহযোগিতা করায় বাবা ও মাকে আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় ২৭/৭/২০ ইং তারিখে একটি মামলা হয়েছে যাহার নং ৪৫ ।