দৌলতপুরে বাকপ্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ, থানায় মামলা

 আছানুল হক, দৌলতপুর প্রতিনিধি: দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামের এক বাকপ্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রী ধর্ষণ হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী । এ বিষয়ে অনুসন্ধানের গেলে স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন দাবি করেন , তার পরিবারে মোট সদস্য সংখ্যা ৫ জন তাদের ভিতর পুরুষ মাত্র একজন তাও সে দেশের বাইরে থাকে ।

পরিবারের অন্যান্য মহিলারা কাজের তাগিদে বাইরে থাকার ফলে এই ঘটনা ঘটে । তারা দাবি করেন বাকপ্রতিবন্ধী কে ধর্ষণ করেছে একই এলাকার রবকুলের ছেলে তুহিন। এ বিষয়ে বাকপ্রতিবন্ধীর প্রতিবেশীরা জানাই, প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রীর মা ও ভাবি বিশেষ কাজে বাইরে গেলে তুহিন সুযোগ বুঝে বাকপ্রতিবন্ধীর ঘরে প্রবেশ করেন এবং প্রতিবন্ধীর আত্মচিৎকারে আমরা ছুটে আসি আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গোপনে তুহিন পালিয়ে যায়।

পরে আমাদের কাছে প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী তার ভাষায় সব ঘটনা খুলে বলে। তার কথা অনুসারে আমরা তাকে বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি ঘুরিয়ে নিলে প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী বারবার তুহিনের বাড়ি এবং তুহিনকে শনাক্ত করে । আমরা এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি যেন এই বিচার দেখে আর কেউ এই ধরনের কাজ না করে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবুসালে মজলুম কবির পান্না সহ সকল শিক্ষক কর্মচারী বৃন্দ দাবি করেন, ২০১৫ সাল থেকে বাক প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রী দৌলতপুর প্রতিবন্ধী অটিজম বিদ্যালয় অধ্যয়নরত আছেন। তারা দাবি করেন এই বাক প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রীর আচার ব্যবহার অত্যন্ত ভালো যে পশুর এই ধরনের কাজ করেছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি যেন এই ধরনের কাজ এই শাস্তি দেখে আর কেউ না করে।

এ বিষয়ে তুহিনের বাড়িতে গেলে তুহিন ও তুহিনের পিতাকে বাসায় পাওয়া যায় নাই। এ বিষয়ে তুহিনের মা ও তুহিন এর স্ত্রী জানায়, এই ঘটনা মিথ্যা আমাদেরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, এ সময়ে তুহিনের বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত হলে তারাও দাবি করেন যে তুহিনকে ফাঁসানো হচ্ছে ।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম আরিফুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় দৌলতপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে যাহার নং ৩৬। এবং দৌলতপুর থানা পুলিশ আসামিকে আটক করার জন্য তৎপর আছে।