দৌলতপুরে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে মাদকের হাট

আছানুল হক, দৌলতপুর প্রতিনিধি:  কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়ন একটি সিমান্তবর্তী ইউনিয়ন। এবং এই ইউনিয়নের ভারত সিমান্ত বেশ কিছু এলাকায় কাটা তারের বেড়া না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে এই ইউনিয়নের ধর্মদহ সীমান্ত ।

এ বিষয়ে ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মানুষ জানান ,বর্তমানে আইনশৃঙ্খলার ব্যপক অবনতি হয়েছে স্থানীয় তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, আমি লোক মারফোত জানতে পারি গড়ুরা এলাকায় ঈদের তিন দিন আগে রাতে একটি সি এন জি তে প্রায় ৩৫০ বতল মত ফেন্সিডিল লোড হচ্ছে, এ মত অবস্থাতে আমি তেকালা ক্যাম্পের ইনচার্জ এ এস আই বাবলুর কে মুঠোফোনে জানায়। তিনি জানায় আমি একটু বাহিরে আছি সাথে সাথে ক্যাম্প থেকে ফোর্স পাঠাচ্ছি ।

কথা মত ফোর্স ও পাঠান তিনি ফোর্স ব্যাংগাড়ী মোড় এলাকায় এসে পৌঁছালে তাদেরকে আবার নিষেধ করেন তিনি, ফোর্স কে বলেন আপনারা ব্যাংগাড়ী মোড়ে বসেন আমি না আসা পর্যন্ত মোড়ে বসেন আমি আসছি। এই বাধা দেওয়ার ফলে ফেন্সিডিল সহ সি এন জি টা মধুগাড়ীয়া রাস্তা দিয়ে চলে যায়। পরে ক্যাম্প ইনচার্জ এ এস আই বাবলুর কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাকে মাদক ব্যবসায়ী সাজানোর হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর এক ব্যক্তি জানান,ঈদের দুই দিন আগে আমাদের এলাকায় রাত অনুমানিক ১১ টার পরে একটি মাইক্রবাসে ফেন্সিডিল লোর্ড হচ্ছে এমন সংবাদ পাই সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাম্প ইনচার্জ এ এস আই বাবলুর কে মুঠোফোনে জানায়, তিনি প্রায় ১ ঘন্টা পরে আসেন যেখানে ক্যাম্প থেকে।যেখানে ক্যাম্প থেকে আসতে সময় লাগবে মাত্র ৫ মিনিট সেখানে তিনি আসেন ১ ঘন্টা পরে এবং এসে আমাদেরকে উল্টাপাল্টা বলেন। বলে মাল ধরে তার পরে ক্যাম্পে জানাবেন আগে জানাবেন না। আমরা কি ভাবে মাল ধরবো আমরা স্থানীয় মানুষ।

এ বিষয়ে আদাবাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,মাদক ধরার জন্য আমাদের লোকজন ক্যাম্পে জানালেও তারা আসেননি বরং আমাদের লোকজন কে হুমকি দিছে আমরা নাকি মাদক ব্যবসা । এ বিষয়ে একাধিক ব্যক্তি তথ্য নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে তেকালা ক্যাম্প ইনচার্জ বাবলুর সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন ধরেন নাই।