দেশের পাঁচ জেলায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু ১০

দেশের বিভিন্নস্থানে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় পাচ জেলায় মারা গেছে ১০জন। মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন সময় কক্সবাজারের চকরিয়া, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও গাইবান্ধা জেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে চকরিয়া উপজেলায়।

শুক্রবার রাতে সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার বানিয়ারছড়া স্টেশনে স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস উল্টে খাদে পড়ে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাসটির ২৫ যাত্রী।

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের পেছনে এনা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বাসের ১০ যাত্রী।

ঢাকা-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের যাদৈয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবদুর রহিম নামে মোটরসাইকেল আরোহী একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তার ছোট ভাই মানিক হোসেন। নিহত আবদুর রহিম ও আহত মানিক সদর উপজেলার লাহারকান্দি গ্রামের ফজলুল করিমের ছেলে।

মুক্তারপুর জেলার সেতুর টোল প্লাজার কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. সুমন নামে বাইক আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছেন। সুমন নারায়ণগঞ্জের চর সৈয়দপুর গ্রামের মো. জলিলের ছেলে। তিনি ডক ইয়ার্ডের শ্রমিকের কাজ করতেন।

মুন্সিগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ দেখতে পায়। মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সড়কে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় মাইক্রোবাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন- উপজেলার সাতারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলাম (৪৫) ও তার ছেলে স্থানীয় ইউনিক কিন্ডার গার্টেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র মাহি (১০)।

মমিনুল ইসলাম উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুকঘোড়াবান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পরিবার নিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা শহরের প্রফেসরপাড়ায় বসবাস করতেন।

পলাশবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৭টার দিকে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক দিয়ে তিনি পলাশবাড়ী শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় একটি মাইক্রোবাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই বাবা মমিনুল ইসলাম ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর ছেলে মাহির মৃত্যু হয়।