দূর্গাপুরে ভিজাবালু পরিবহন বন্ধে প্রশাসনকে এমপির চিঠি

জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা জেলার সীমান্তবর্তী দূর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদী থেকে ভিজাবালু উত্তোলণ, অবৈধ ডাইভার্শন দিয়ে চাঁদা আদায়সহ শিক্ষার্থী ও উপজেলাবাসীর জালমালের নিরাপত্তার জন্য শহরে ভিজাবালু বহনকৃত লড়ি, মিনিট্রাক চলাচল বন্ধের জন্য জেলা, উপজেলা ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

এ নিয়ে শনিবার (১১জুলাই) রাতে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেন সংসদ সদস্য মানু মজুমদার। জানা যায়, কতিপয় বালু সিন্ডিকেট চক্র, অসাধু কর্মকর্তাদের সহায়তায় দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর বেশ কয়েকটি ইজারা ঘাট থেকে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে ওই ভিজাবালু লড়ি ও মিনি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে পৌরশহরের উপর দিয়ে চলাচল করায় প্রায়ই ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটছে।

এসকল অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবীতে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শহরে মানববন্ধন, রাস্তা অবরোধ, হরতালসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে অবৈধ যান চলাচল বন্ধে বেশ কয়েকবার পত্র দেয়া হলেও কোনো কাজ হয়নি। ইতোমধ্যে ৯জুলাই শহর দিয়ে ভিজাবুল পরিবহন ও লড়ি চলাচল বন্ধের দাবীতে স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ১১টি সংগঠন মানববন্ধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন যাবৎ অবাধে ভিজাবুল উত্তোলনের কারণে ওইসব এলাকার রাস্তা-ঘাটসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

যে কারণে প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্য্যন্ত ওই সকল পরিবেশ দূষণকারী যানবাহন পৌরশহর দিয়ে ভিজাবালু পরিবহন করতে পারবেনা মর্মে সকল দপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মানু মজুমদার বলেন, অত্র এলাকার মানুষ আমাকে বড় আশা নিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন, সময় সাপেক্ষে এই আসনের জনকল্যাণমূলক সকল কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে। অবৈধ ডাউভার্সন ও বালু ঘাট থেকে পকেট ভারী করার ইচ্ছা আমি পোষণ করি না। সৃষ্টিকর্তা আমায় অনেক দিয়েছেন টাকা কামানোর ইচ্ছা থাকলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাথে প্রায় ৩৭বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছি।

এমন কোনো কাজ করিনি বিধায় নেত্রী এখনো নানা দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। আমার এলাকায় সরকার ও সংসদ সদস্যের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এমন কোনো অবৈধ কাজ করতে দেয়া হবে না। যে কারণে সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ডিও দিয়েছি।