দু’টি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর, দশমিনায় থানায় মামলা

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা-বাউফল প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রামে রাতের আধারে পৃথক দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর ও হরলাল টাকুরের বসতঘরে চুরির ঘটনায় শুক্রবার বিকালে দশমিনা থানায় প্রিয়লাল চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেছে।
হরলাল চক্রবর্তী(৭০) জানান, বুধবার মধ্যে রাতে বাহিরে যাওয়ার জন্য ঘুম থেকে সজাগ হলে আমার আলাপ পেয়ে ঘর থেকে ২জন লোক দৌঁড়ে বের হতে দেখি আর ডাকচিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে পরি। আমার ছেলেরা চারদের ধাওয়া করলে চোরেরা পালিয়ে যায়।

মামলার বাদী প্রিয়লাল চক্রবর্তী মামলায় উল্লেখ করেন, বসতঘরের পশ্চিম পার্শে¦র সিধ কাটা। ওই সিধ দিয়ে চোরচক্র ঘরে ঢুকে ইষ্ট্রিলের আলমারি ভেঙ্গে নগদ ১৫/২০হাজার টাকা, ১৩হাজার টাকার স্বর্নালংকার ও প্রয়োজনীয় দলিল পত্রাদি নিয়ে যায়। এছাড়া বাড়ির সামনের সত্য নারায়ন ও কালী মন্দিরের প্রতীমা ভেঙ্গে ফেলা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাড়ির উত্তর পাশের ভোগদখলীয় জমির সীমানার আট ও বেড়া কেটে নষ্ট করেছে। বাদী মামলায় আরো উল্লেখ করেন, কতিপয় আসামী ইতিপূর্বে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। যাহা আমার বাবা হরলাল চক্রবর্তী বাদী হয়ে দশমিনা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এম,পি ২৩৬/১৯নং একটি মামলা দায়ের করেন।

এছাড়া সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হরলাল চক্রবর্তী’র বাড়ির পূর্ব পাশে গোড়াচাঁন গাইন বাড়ির সামেন অবস্থিত কালী মন্দিরের কালি মাতা প্রতীমা ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাফজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ ইকবাল মাহামুদ লিটন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মহিবুল আলম ও দশমিনা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস,এম জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দশমিনা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস,এম জালাল উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।