দিনাজপুর লিচুর বাজার করোনাভাইরাস উৎপাদন কেন্দ্র ঃ মন্তব্য স্থানীয়দের

মোঃ নাজমুল ইসলাম নয়ন, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:  করোনা পরিস্থিতির কারণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বছর মৌসুমি ফলের বাজার স্থানান্তারিত করে বড় মাঠে নিয়ে আসা হয়েছে। বেচাকেনা জমে উঠেছে। ভোর ৬টা থেকে মাঠের নির্দিষ্ট স্থানে লিচু আসা শুরু হয় বেচাকেনা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

জেলার ভিবিন্ন এলাকা থেকে বাগান মালিক ,পাইকার ও খুচরা ব্যাবসায়ী সহ নানা মাধ্যমে এখানে লিচু আসছে। কেউ আনছে রিক্সাভ্যানে, কেউ আনছে ইজিবাইক ভর্তি করে, আবার কাছাকাছি কেউ কেউ নিজ বাগানের লিচু সাইকেলে করে নিয়ে আসছে। জনসাধারনের স্বাস্থ্য ঝুকির কথা চিন্তা করে বাজার স্থানান্তরিত করা হলেও, সরেজমিনে আমাদের প্রতিনিধি গেলে দেখা যায় সেখানে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি কেউ মানছেনা, শত শত পাইকার বিক্রেতা লিচু বেচাকেনা করছে।

যাদের কারোই মুখে মাস্ক দেখা যায়নি, সামাজিক দুরত্ব সম্পর্কে এখানে কারো ধারনাই নেই বল্লে চলে। দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত মৌসুমি ফল লিচু কিনতে দেশের অনেক জেলা থেকে পাইকার এসেছে। যাদের শরিরে কোভিড-১৯ থাকতে পারে। কিন্তু বাজারে  মানুষের মধ্যে কে স্থানীয় আর কে বাহির থেকে এসেছে তা নির্ধারন করা সম্ভব নয়। তাদের গাদাগাদি করে বিচরণ দেখে মনে হয়নি দেশে করোনা ভাইরাসের মহামারি বিরাজ করছে।

ঢাকা থেকে লিচু কিনতে আগত পাইকারি ক্রেতা বাসির আলিকে মাক্স না পরার কারন জিজ্ঞেস করলে তিনি দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি নয়ন কে জানান, দিনাজপুরে এখনও তেমন করোনা আসেনি তাই একটু খোলা বাতাসে দম নিচ্ছি। তার শরীরেই ভাইরাস থাকতে পারে তা থেকে অন্য কারো শরীরে ছড়াতে পারে বললে তিনি বলেন, তিনি প্রতিদিন সকাল বিকাল গোসল করেন।

এ ধরনের অসচেতন উত্তর এখানে আসা অনেক পাইকারের কাছ থেকে পাওয়া । দিনাজপুর বড় মাঠের স্থানান্তরিত লিচু সহ মৌসুমি ফলের প্রধান বাজার ঘুরে স্বাস্থ্যবিধির হযবরল অবস্থা দেখা যায়। দিনাজপুর লিচুর বাজার যেন করোনা ভাইরাস বিনিময় কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। কতৃপক্ষ বিষয়টি নজরে আনবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা ।