দিনাজপুরে তাপমাত্রা ৯.০ ডিগ্রী , মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে।

দিনাজপুর জেলা, প্রতিনিধি নয়ন: দিনাজপুরে গত ৭ দিন ধরে মৃদু শৈত প্রবাহের পর বুধবার থেকে মাঝারি শৈতপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আগামী দিন গুলিতে তাপমাত্রা আরো কমে গিয়ে শৈত্যপ্রবাহ শুরুর আশংকা রয়েছে । আগামীকাল ২৮ ডিসেম্বর বৃর্ষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস সুত্র জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ৯.০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বুধবার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস ও বাতাসের আদ্রতা ৪৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্ব নি¤œ তাপমাত্রা। সর্ব নি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে ৬.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
দূযোর্গ ত্রাণ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে পাওয়া মজুদ থাকা ৭০ হাজার ও নতুন করে পাওয়া ৫ হাজার এবং স্থানীয় ভাবে পাওয়াসহ ১ লক্ষ ২০ হাজার শীত বস্ত্র জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মোঃ মকলেছুর রহমান।
তিনি আরো জানান, শীতে পরিস্থতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরী ভিক্তিতে আরো ১ লক্ষ পিচ শীতবস্ত্র চেয়ে ত্রাণ মন্ত্রনালয়ে ফেক্সবার্তা প্রেরণ করা হয়েছে।
শীত নিবারণে বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষদের কুন্ডুলি পাকিয়ে খড় কুট জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। কষ্ট বেড়ে গেছে ছিন্নমুল মানুষের।জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলমের ত্তত্বাবধানে পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষনিক মনিটরিং করা হচ্ছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ অবজারভার তোফাজ্জল হোসেন জানান,পশ্চিম দিক থেকে বায়ু প্রবাহীত হওয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়ছে। আগামী ১/২ দিন দিনাজপুরে শীতের প্রবণতা আরো বাড়বে এবং তাপমাত্রা আরো নেমে আসবে। শুরু হবে শৈত্য প্রবাহ। ২৮ ডিসেম্বর দেশের অন্যান্য স্থানের মত দিনাজপুরে বৃর্ষ্টি হতে পারে। বৃর্ষ্টির পরে শীত আরো বেশী অনুভূত হবে।
তাপমাত্রা নিচে নেমে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যয় হয়ে পড়ছে। তীব্র শীত,ঘন কুয়াশা,শন শন করে বইছে বাতাস। শীত নিবারণে অনেক জায়গায় কুন্ডরী পাকিয়ে গোল হয়ে আগুন তাপাতে দেখা গেছে। ছিন্ন মুল মানুষের দূভোর্গ বাড়তে শুরু করেছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ রাস্তায় রের হচ্ছেনা। রাস্তায় যানবাহন চলা চল করছে হেটলাইট জ্বালিয়ে।