দশমিনায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম

 দশমিনা-বাউফল প্রতিনিধি:  প্রজনন মওসুমে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় জেলেদের মাঝে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়ান চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রত্যেক জেলেকে ৮০কেজি করে চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও দেয়া হচ্ছে ৩০ কেজির একটি বস্তা। শুক্রবার ও শনিবার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সাল ও ইউপি সদস্যগন এ চাল বিতরণ করেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলা আলীপুর ইউনিয়নে প্রতি জেলেকে ৮০কেজি করে দেয়ার কথা শুনেছে জেলেরা। চাল নেয়ার পরে তারা মেপে দেখেন প্রতিজন জেলে ৩০কেজির একবস্তা চাল পেয়েছেন। এনিয়ে জেলেদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। শাহাবুদ্দিন, নাসির, মকবুল, ফারুক, জাহাঙ্গীর, সুমন, কবির মোল্লাসহ একাধিক কার্ডধারী জেলে জানান, ‘আমরা জানি ৮০কেজি করে চাল দেয়া কথা। চেয়ারম্যান-মেম্বাররা ৩০কেজির একবস্তা চাল দিয়েছে।’ তারা আরো জানান, ‘আমাদের মধ্যে প্রকৃত জেলেরা এ চাল পাচ্ছে না।

যেসব লোক কখনো নদীতে মাছ শিকার করে নাই তারাও আজ চাল নিয়ে যাচ্ছে।’ উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও মা ইলিশ রক্ষার্থে এ বছরের নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তাই বেকার হয়ে যাওয়া জেলেদের আর্থিক অনুদান দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময় প্রতি জেলে পরিবারকে চাল দেয়া হচ্ছে। আলীপুর ইউনিয়র পরিষদের চেয়াম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সাল চাল কম দেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, জেলেদের চাল ঠিক মতোই দেয়া হয়েছে। তবে আমি প্রত্যেক ইউপি সদস্যদের উপস্থিতে চাল বিতরন করেছি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস এর সরকারি নাম্বারে কল দিলে রিসিভ না করায় কোন মতামত দেয়া সম্ভাব হয়নি।