দগ্ধদের দেখে কষ্ট লেগেছে : ডা. জাফরুল্লাহ

আরিফুজ্জামান আরিফ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার তল্লা বড় মসজিদের বিস্ফোরণের ঘটনায় আমি নারায়ণগঞ্জে আসার আগে ঢাকা বার্ণ ইউনিটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম দগ্ধ হওয়া লোকদেন দেখে খুব কষ্ট লেগেছে।

মসজিদে বিস্ফোরনের পর নারায়ণগঞ্জে কোন চিকিৎসা দেয়া হয়নি। তারা যদি রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হতো তাহলে তারা এতো কষ্ট পেতো না। হাসপাতাল হতে যদি একটি করে ইনজেকশন দিতো তাহলে ব্যাথাটা থাকতো না।

যখন আমাদের দেশে চিকিৎসা ছিলো না তখন আমার মা দাদীরা ঘরে বসে চিকিৎসা দিতো। পুড়ে গেলে তারা ডিম ভেঙ্গে দিতো এবং পানি ঢেলে দিয়ে পোড়া স্থানে ব্যাথা ঠান্ডার ব্যবস্থা করতো।’ হয়তো সরকার ঘটায় নাই। সরকার একটা কাজ অর্ধেক করে বাকীটা না করিয়ে আটকে রাখে।

বিস্ফোরণে যারা দগ্ধ হয়েছে তাদের ভাল চিকিৎসা দিলে এতো লোকের প্রানঘাতি হতো না।’ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা বায়তুস সালাত জামে মসজিদ পরিদর্শন করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সেখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল দেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দায়ী করে এ কথা বলেন তিনি। আফসোস করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এখন চিকিৎসা উন্নত হচ্ছে তার পরও পোড়া রোগীদের জন্য ঢাকা নিয়ে যেতে হয়। আমার কষ্ট লেগেছে এখান ঢাকা যেতে ২ ঘন্টা সময় লাগে।

এসময়ের মধ্যে যে ব্যাথা পায় তার কষ্ট সহ্য করার মত না। তাই আমি মনে করি প্রতিটি জেলায় বার্ণ ইউনিটের ব্যবস্থা করা দরকার।’ দাবি করেন, যারা মারা গেছে তাদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেয়া উচিৎ। তিতাসের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে তা আলোচনার মধ্যে সিমাবদ্ধ না রেখে তদন্ত কমিটি ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

মসজিদে পরিদর্শন করে বিস্ফোরণে যারা মারা গেছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন তিনি। তবে বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য তিতাস অফিসের অবহেলা হলে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করার আহবান করেন। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি ।