তীব্র পানি সংকটে রায়পুর পৌরবাসি

 নুরুল আমিন দুলাল ভূ্ঁইয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভায় বসবাসকারী প্রায় ৪০ হাজার মানুষের পানির নিত্য দিনের কষ্ট যেন কাটছেনা। ৫ থেকে ৬ ফুট উচুতে ট্যাংকিতে পানি উঠা এযেন এক মহা স্বপ্ন। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গত ১ মাস ধরে এখানে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট চলছে মহাসমারোহে। পূর্বে যখন বিদ্যুতের অব্যাহত লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের কারণে উচ্চ জলাধারে পাম্প দিয়ে পানি উত্তোলন করতে না পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এতে পৌরসভার মধ্যে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
কিন্তু অতিবয় দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে বর্তমানে নিয়মিত বিদ্যুৎ থাকা স্বর্তেও পানি সংকট যেন পৌরবাসির নিত্য সঙ্গী! বর্তমানে বৈশ্বয়িক মহামারি করনোয় থেকে বাঁচতে পানির যেমন প্রয়োজনীয়তা তীব্রতর হচ্ছে হাত ঘন ঘন হাত ধোয়া বিশুদ্ধ পানি পান করা গোছল করা অত্যাবশ্যক। কিন্তুু পানি সংকটে রায়পুর পৌরবাসি নিধারুন অসহায়! এর যেন কোন প্রতিকার নেই। এছাড়া প্রতিনিয়ত শহরের হোটেল-রেস্তোরায় লোকজন বাধ্য হয়ে আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। অনেক পরিবার এই পবিত্র মাহে রমজানে মিনারেল ওয়াটার কিনে পানির চাহিদা মেটাচ্ছেন গত দুই মাস ধরে।
অচিরেই এই পানি সমস্যার সমাধান না হলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে ক্ষুদ্ধ পৌরবাসী আন্দোলনে রাস্তায় নামবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, রায়পুর পৌর এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষের প্রতিদিন ১৭ লাখ লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। রায়পুর পৌর শহরের এলাকার অনেক গুলি পোল্ট্রি খামার পানি সংকটের কারনে পোল্ট্রি খামার বন্ধের উপক্রম হয়েছে। পানি সংকট নিয়ে আশার বাণী নেই, নেই কোন বিবৃতি রায়পুর পৌরসভার মেয়র হাজি ইসমাইল হোসেন খোকনের মুখে।
তিনি অবশ্য পৌরবাসীর দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, রায়পুর নতুন বাজারের পানি উত্তলনের ট্যাংকির কাজ শেষ পর্যায়ে আছে। ওই ট্যাংকির কাজ শেষ হলে পানি সমস্যা সমাধান হবে বলে তিনি জানান।