ঢাকা দক্ষিণে কামরাঙ্গীর চরের কয়েকটি ওয়ার্ডে রয়েছে সংকট

পাঁচ বছর আগে ইউনিয়ন থেকে সিটি করপোরেশনে অর্ন্তভুক্তি। রাস্তায় লেগেছে নগরের ছোঁয়া। তবে আগের অবস্থাতেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। লাইন থাকলেও নেই গ্যাসের সরবরাহ। আশা এবার ভোটের পর সুরাহা হবে এসব সমস্যার।

ঢাকা দক্ষিণের ৫৬ নাম্বার ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৭জন। ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্তির পর হাসপাতাল, বিদ্যুৎ অফিস, খেলার মাঠসহ নানান সুবিধা পেয়েছেন এলাকাবাসী। তবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনও রয়েছে সংকট।

কাউন্সিলর পদে আবারো আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন নিয়ে লড়ছেন মোহাম্মদ হোসেন। ৫৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘ময়লা আবর্জনা নিজ দায়িত্বে একটা জায়গায় রাখতে হবে। এ ধরণের সচেতনতা আমাদের মধ্যে এখনও সৃষ্টি হয়নি। সিটি কর্পোরেশন যদি ৫৬ নাম্বার ওয়ার্ডে দুটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অর্থাৎ সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ব্যবস্থা করে দেয় তবে নদীর পাড়ে যে ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় সেগুলো আমরা একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে পারবো।’

পাশের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড।  সবচেয়ে বড় সমস্যা গ্যাস। লাইন থাকলেও সরবরাহ নেই গ্যাসের। তাই মাটির চুলাতেই সারতে হয় রান্নার কাজ। স্থানীয়রা বলছেন  গ্যাসের বিল দিলেও সেবা পান না তারা। কাউন্সিলর প্রার্থীরাও আশ্বাস দিচ্ছেন গ্যাস সংযোগসহ আবাসিক সুবিধা নিশ্চতের।

৫৭নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুল ইসলাম মাদবর বলেন, ‘২৮শে মে আমি আমার এলাকায় গ্যাস সংকটের কথা জানিয়ে তিতাসের বরাবর দরখাস্ত করেছি। এইবার যদি আমি নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হতে পারি তবে গ্যাসের সমস্যার সমাধান আমার সর্বপ্রথম কাজ থাকবে।’ আবাসিক এলাকায় কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান সরিয়ে পরিকল্পিত ওয়ার্ড গঠনে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।