‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানে অন্যায় ও জরিমানার অভিযোগ’

অন্যায় উচ্ছেদ ও জরিমানার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে। উৎকোচ না পেলে সিন্ডিকেট করে নিলামের মালামাল কিনে নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযানে ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে চলছে অভিযান। তবে নিয়ম মেনেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

গুলশানে ২ এর নব্বই নম্বর রোডের এই সড়কটি ব্যক্তি মালিকানার ছেড়ে দেওয়া জায়গায় তৈরি। আর তা ব্যবহার হয় দুটি মাত্র দুটি প্লটে ঢোকার জন্য। এই সড়কে মালামাল রেখে নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টের কাজ চলার সময় উচ্ছেদ অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উৎকেচ না পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালতকে ব্যবহার করে একটি সিন্ডিকেট নির্মাণ সামগ্রী নিলামে কিনে নেয়। তারা জানান,’মূল রাস্তার কোন গাড়ি এখন দিয়ে চলাচল করে না। এখানে কোন ফুটপাত নেই। এই প্লটেরই জায়গা । পাঁচ লাখ টাকা মতো উৎকোচ চায়। সে কারণে তারা আমাদের মালামাল ক্রোপ করে উঠায় দিয়ে নিলামে তুলেছে।’

রাজধানীর প্রগতি স্মরণিতেও ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তারা জানান,’আমাদের জিনিস তারা নিয়ে যাচ্ছে। এটা কি কোন ব্যবসা। পয়সা আমার, মাটি আমার, ছাদ আমার, তারা ভেঙ্গে নিয়ে গেল।’

উচ্ছেদ অভিযানের মালামাল সেখানেও নিলামে কিনে নেয় একই সিন্ডিকেট। ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে কয়েকটি জায়গায় অভিযান না চালিয়ে এগিয়ে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভুক্তভোগীরা বলেন,’বিনা নোটিশে কেমনে ভাঙ্গে আমাকে সেই নিয়ম দেখাতে হবে। আমাদের কোন নোটিশ দেয়া হয়নি।’

তবে নিয়ম মেনেই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান আদালতের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়,’পারমিশনের বাইরে  যে অংশ ফুটপাতের ওপর এসেছে, সে অংশটুকুই ভাঙছি।’

রাজধানীর চারটি এলাকায় সোমবার উচ্ছেদ অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জব্দ করা পণ্য তাৎক্ষণিক নিলাম করা হয়।