ডুমুরিয়ায় শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ায় ধান কাটা ব্যাহত

জাহাঙ্গীর আলম (মুকুল), ডুমুরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি: খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষকরা শ্রমিক সংকট ও বৈরী আবহাওয়ার কারনে বৌরো ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছে না।

গতকাল ২৯-০৪-২০ বুধবার সরজমিনে যেয়ে কৃষকদের সাথে কথা বললে। উপজেলার নরনিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ আঃ কাদের বলেন কীভাবে পাকা ধান কাটবেন বুঝতে পারছি না জমিতে পাকা ধানের গন্ধ। ফসল উৎপাদনও ভালো হয়েছে। তবে মিলছে না ধান কাটা শ্রমিক।

মালতিয়া গ্রামের আরেক কৃষক মোঃ কুদ্দুস সরদার জানায় প্রায় ( ১২০)শতক জমি চাষ করেছি। প্রচুর ধান ফলেছে। কিন্তু ফসল কাটতে পারছি না। শ্রমিক সংকট, তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোনোরকম ধান কাটা চালিয়ে যাচ্ছি। এমনিভাবে ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বোরো ধান পেকে জমিতে পড়ে আছে। মহামারী করোনা পরিস্থিতির কারণে ধান কাটর শ্রমিকরা কাজে আসতে পারছেন না। ধানের উৎপাদনে কৃষকের মুখে ছিল হাসির ঝিলিক। কিন্তু করোনার থাবায় তাদের স্বপ্ন মিলিয়ে যাওয়ার পথে। উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে, ধান কাটা শ্রমিক সংকটসহ প্রতিকূল পরিস্থিতি থাকলেও কৃষি বিভাগের সাহায্য-সহযোগিতায় সব সমস্যার অবসান হবে। সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার চুকনগর, খর্নিয়া, কাঁঠালতলা, মালতিয়া, মাগুরাঘোন, নরনিয়া, মঠবাড়িয়ার , বিলসহ চারদিকে মাঠজুড়ে সোনালি ফসল আর ফসল।

চলমান বৈশ্বীক মহাসারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে ডুমুরিয়া উপজেলায়। অন্য এলাকা থেকে ধান কাটার শ্রমিক আসতে পারছে না। টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না,ভুক্তভোগী কৃষকরা বলছেন, ধান কাটার সময় পার্শবর্তি উপজেলা যেমন পাইকগাছা,কয়রা আশাসুনি,বূধহাটা সহ আসেপাশের অনেক উপজেলা থেকে শ্রমিক আসতো। কিন্তু মহামরী করোনা সংকটের কারণে শ্রমিকরা এবার আসতে পারছে না। বেশির ভাগ স্থানে ধান মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইতিমধ্যে কিছু জায়গায় ধানের ক্ষতিও হচ্ছে।

এমন অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের কষ্টের ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে আনা প্রাই অসম্ভব হয়ে পড়বে। ভূক্তভোগী কৃষকরা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদ্প্তেরের কাছে আষু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।