ডুমুরিয়ায় জোয়ারের পানিতে খর্নিয়া বাজার সয়লাব

জাহাঙ্গীর আলম (মুকুল), ডুমুরিয়া প্রতিনিধি: খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়া সাথে সাথে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

উপজেলার খর্নিয়া বাজারটি শত বছরের পুরোনো ভেড়ী বাধ উপচ্ছে জোয়ারের পানিতে বাজারটি তলিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়,

আবার ভাটায় জেগে ওঠে। ক্রেতা–বিক্রেতা উভয়েই ভোগান্তিতে পড়েন।এমন অবস্থা চলছে। উপজেলার ১০০ বছরের পুরোনো খর্নিয়া ‌বাজারে ভোগান্তিতে পড়েছেন

এই বাজারের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। এই সমস্যা সমাধানে নদীর তীরে বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীরা।

‌সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, হরি নদীও ভদ্রা নদীর সংযোগস্থল শৌলগাতিয়া রোডে গড়ে উঠেছে খর্নিয়া বাজার।

১০০ বছরের পুরোনো এই বাজারে প্রায় ৪ শতাধিক ব্যবসায়ী ব্যবসা করছেন। সম্প্রতি নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় জোয়ারের সময়

বাজার এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়। ক্রেতারা প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা করতে বাজারে আসতে পারেন না।

জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্রেতা বিক্রেতাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন,

সারা দিন বাজার ও আশপাশের এলাকায় হাঁটুপানি হয়েছে। সন্ধ্যায় ভাটার সময় পানি নেমে যায়। কিন্তু তারপরও গোড়ালি পর্যন্ত পানি থাকে।

পানি মাড়িয়ে সব সময় তাদের আসা-যাওয়া করতে হয়। পানি মাড়িয়ে বাজার করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। খর্নিয়া বাজার কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বিপ্লব জানান

প্রতি বছর জোয়ারের পানি আসলে আমরা কোন রকম বাঁধ দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে তুলি। খর্নিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার বলেন,

এক সময় এই নদী দিয়ে বড় বড় স্টিমার, লঞ্চ, কার্গো চলাচল করত। বাজার হয়ে বিভিন্ন নৌবন্দরে ব্যবসা করতো।

তখন নদী গভীর থাকায় বাজারে জোয়ারের পানি ঢুকতে পারেনি। এখন নদীর তলদেশ পলি জমে ভরাট হওয়ায় পানি বাজারে প্রবেশ করছে।

তিনি সবার ভোগান্তি কমাতে নদী তীরে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ‌গাজী এজাজ আহমেদ বলেন,

খর্নিয়া বাজার ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার জন্য ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলীকে অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দেন।