ডুমুরিয়ায় কুরবানির গরুর ফার্ম মলিকরা দুশ্চিন্তায়

 মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (মুকুল), ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে কুরবানির গরুর ফার্ম মালিকের দুশ্চিন্তা ততই বাড়ছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস এমন না কমায় তাদের কপালে চিন্তার ভাজ। গরুর ফার্ম মালিকরা গরু বাজারে নিতে পারবেন কিনা, বাজারে গরুর ক্রেতা মিলবে কিনা, ক্রেতা মিললে ও দাম সঠিক পাবেন কিনা এসব নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলা‌ প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা প্রিয়াংকর কুন্ডুর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান ,ডুমুরিয়া উপজেলার ছোট বড় ১২শত ৪৪টি গরুর মোটা‌ তাজা খামার রয়েছে। কোরবানি গরু এবছর বাজারে উঠাতে পারবেন ৫হাজার ১শত ৭৯টি গরু। ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়ানের শিবপুর ‌ বাদুর গাছা গ্রামের ‌গরুর ফার্মের মালিক ফারুক বিন জব্বার এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন ‌আমার খামারে ‌১শত ১০টি গরু আছে, ৩লক্ষ ৫০হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৪০হাজার টাকা পর্যন্ত।

তিনি আরো বলেন এবার গরুর ক্রেতা বাজারে ‌আসবে কিনা ‌গরু বিক্রয় করতে পারবো না । অনেক চিন্তার ভিতরে আছি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো তথ্য মতে, দেশে মােট পশুর সংখ্যা দুই কোটি ৪০ লাখ। সব মিলিয়ে কুরবানির জন্য এক কোটি ২০ হাজার নিয়েছেন। যে কারণে সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় বড় গরু, ছাগলের খামার গড়ে উঠেছে। সারা বছর কাদের কাছে বিক্রি পাশাপাশি কিছু কিছু স্পেশাল গরু তৈরি করা হয়। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে।

ফার্মের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনা নিয়ে তারা না দুশ্চিন্তা মুক্ত হতে পারে। মূলত কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে সারা বছর গরু লালন-পালনে তারা বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেন। তাই এখন পশু বিক্রি করতে না বর্তমানে দেশে অসংখ্য গরু, প্রান্ত রয়েছে। মহিষ, ছাগল, ভেড়া এমনকি কিছু পাশে বড় ধরনের লোকসানের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্র জানায়। গত বছর দেশে কোরবানিযোগ্য প্রায় এক কোটি ১৮ লাখ পশু প্রস্তুত ছিল। আর গত বছর কোরবানি জবাই করা হয়েছিল এক কোটি ছয় নাক পশু। ১২ লাখ অবিক্রিত ছিল। যা এবার আবার বাজারে উঠবে।

উট ও দুদ্বার খামারও গড়ে উঠেছে। সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে লাখ লাথ মানুষ গরু, ছাগল, ভেড়া পালন করেন। এখন অনেক শিক্ষিত যুবক ডেইরি ফার্ম ও গরু মোটা তাজাকরণকে পেশা হিসেবে বেছে মুখে পড়েন দেশের ফার্মের খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়ানের গরু ফার্ম মালিক জাকির হোসেন বলেন, আমরা সারাবছর গরু মোটাতাজা করে কুরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকি। বড় ও দেখতে সুন্দর গরু গুলো কুরবানীর সময় ভালো দাম বিক্রির করি,এতে করে ভালো লাভ হয়। আমার খামারে ৪০টি ভালো জাতের গরু আছে। ভালো দাম পাবো কি না চিন্তায়‌ আছি।