ডুমুরিয়ায় অসময়ে তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (মুকুল), ডুমুরিয়া প্রতিনিধি: খুলনা ডুমুরিয়ায় অসময়ে তরমুজের বাম্পার ফলন। দেশব্যাপী লকডাউনে মাঠের বাম্পার ফলনে ডুমুরিয়ার তরমুজ চাষিরা। তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও যথাসময়ে বিক্রি করতে না পারলে ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবে সেই শঙ্কায় তারা।

যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হলেও কৃষকদের কষ্টে অর্জিত তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোছাদ্দেক হোসেন সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ডুমুরিয়া উপজেলায় এ বছর প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।তরমুজের ন্যায্য মূল্য মিলছে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে।

তরমুজের আগাম কর্তনে ন্যায্য মূল্য পেয়ে তরমুজ চাষীরা দারুণ খুশি। দ্বিতীয় দফায় তরমুজ কর্তন করে কৃষক লাভের স্বপ্ন দেখছেন। খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া তরমুজ চাষি মো. মামুনুর রশিদ তিনি এক একর জমিতে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করবেন।

একই গ্রামের খলিলুর রহমান ২লক্ষ ৫০হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবেন। আন্দুলিয়া গ্রামের চাষী ইউনুস ফকির , কুলবাড়িয়া গ্রামের আসাদুজ্জামান, শোভনা গ্রামের কামাল বাওয়ালী মাদার তলা গ্রামের সন্জিব দাসসহ ডুমুরিয়া উপজেলার শত শত তরমুজের চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেকেই ডুমুরিয়া উপজেলার মাটি তরমুজ চাষে উপযোগী হওয়ায় অন্যান্য ফসলের চেয়ে তরমুজে বেশি লাভ। তাই এলাকার অনেকেই তরমুজ আবাদে অনেক টাকা বিনিয়োগ করেছেন। অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।

উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করে পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতার স্বপ্ন করোনার লকডাউনে ভেস্তে যেতে পারে। খুলনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, কৃষকের উৎপাদিত ফসল পরিবহনে কোনো বিধিনিষেধ নেই, এরপরও কাঁচামাল তরমুজ পরিবহন বিভিন্ন এলাকায় বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। ফলে কৃষককে লোকসান গুনতে হচ্ছে।