ঠাকুরগাঁওয়ে আরো নতুন করে দুইজন করোনা রোগী সনাক্ত জেলায় মোট ২১ জন

জয় মহন্ত অলক, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্টে তিনজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি সনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে হরিপুর উপজেলার সংক্রমিত একজনের ফলোআপ নমুনার ফলাফল পুনরায় পজেটিভ আসে। আর নতুন করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৩১ বছর বয়সী এক পুরুষ ও বর্তমানে রংপুরে চিকিৎিসাধীন অবস্থায় থাকা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া গোপালপুর এলাকার ৮০ বছর বয়সী এক হাজতির শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার।
তিনি বলেন, আজকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হতে প্রাপ্ত সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও এর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় নতুন করে ৩১ বছর বয়সী এক যুবক করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন এবং হরিপুর উপজেলার সংক্রমিত একজনের ফলোআপ নমুনার ফলাফল পুনরায় পজেটিভ আসে। অপরদিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হতে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাধীন গড়েয়া গোপালপুল এলাকার বাসিন্দা ও পঞ্চগড় কারাগারের একজন হাজতী, যিনি বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, সেখানে তার গৃহীত নমুনার ফলাফল করোনা পজিটিভ আসে। তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে পূর্বের রিপোর্টসহ ঠাকুরগাঁও জেলায় সর্বমোট করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ২১ জনে। এছাড়াও তিনি করোনা মোকাবিলায় সকলকে সরকারি নির্দেশাবলী ও স্বাস্থ্য বিধিমালা মেনে চলার পরামর্শ দেন। প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিলে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ২ জন ও পীরগঞ্জে একজনসহ প্রথম তিনজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়। পরে ১৭ এপ্রিল রাণীশংকৈলে এক শিশু ও হরিপুরে একজন সনাক্ত হয়। এর পর ১৮ এপ্রিল আবারো রাণীশংকৈলে একজন সনাক্ত হয়।
২১ এপ্রিল সদরে একজন নারী সনাক্ত হয়।২৬ এপ্রিল বালিয়াডাঙ্গীর লাহিড়ীতে গাজীপুরে গার্মেন্টস এ চাকুরী করা ২৭ বছর বয়সী এক যুবক করোনায় আক্রান্ত হয়। ২৭ এপ্রিল জেলার হরিপুরে ৩ জন, পীরগঞ্জে ২ জন ও বালিয়াডাঙ্গীতে একজনসহ মোট ৬ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়। ২৮ এপ্রিল হরিপুরে নতুন করে আরও একজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়।৩০ এপ্রিল নতুন করে পীরগঞ্জে এক পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হয়েছে। গত ২ মে হরিপুরে ২ জন ও বালিয়াডাঙ্গীতে একজনসহ মোট ৩জন আক্রান্ত হয়। আজ সর্বশেষ ৫ মে বালিয়াডাঙ্গীতে একজন ও সদর উপজেলার গড়েয়া গোপালপুরে একজনসহ জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ২১ জনে। তবে এরমধ্যে পাঁচজন ব্যক্তি সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছে।