টাঙ্গাইল পৌরসভায় বিশেষ ওএমএস এর ১০টাকা কেজি চাল বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন

 মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডে হতদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে বিশেষ ওএমএস এর ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রির কার্যক্রম চলছে। টাঙ্গাইল পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিশেষ ওএমএস এর ১০টাকা কেজি চাল বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, প্যানেল মেয়র মোঃ সাইফুজ্জামান সোহেল, বাসকোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব ও চেম্বার অব কমার্সের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বড় মনি, ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কামরুল হাসান মামুন, ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মালেক, ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান আলিম, মহিলা কাউন্সিলর উলকা বেগম ‘সহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও জনপ্রতিনিধিগণ।

টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা লকডাউন হওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে ওএমএস (OMS) এর বিশেষ চাল বিক্রির লক্ষ্যে ইতিপূর্বেই কমিটি গঠিত হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কমিটিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর, মহিলা কাউন্সিলর, সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী ১ জন, মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি ১জন, গণমাধ্যম কর্মী (সাংবাদিক) ১ জন, গণ্যমান্য লোক ২জন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধি ১জন, ইমাম/পুরোহিত ১জন, স্থানীয় ব্যবসায়ী ১জন, স্কাউট প্রতিনিধি ১জন, ওয়ার্ড কমিটি কর্তৃক মনোনীত ১জন’সহ মোট ১২ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডে তালিকা প্রস্তুত কল্পে ১২ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্ড কমিটি গঠিত করা হয়েছিল। মেয়র জামিলুর রহমান মিরন বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কমিটির সকল সদস্য সম্মিলিতভাবে স্বচ্ছতার সাথে তার ওয়ার্ডের সকল মহল্লার প্রকৃত অসহায়, দুঃস্থ, দরিদ্র ও কর্মহীন লোক (যেমনঃ রাস্তায় ভাসমান মানুষ, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ব্যক্তি, ভিক্ষুক, ভবঘুরে, দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, পরিবহন শ্রমিক, রেস্টুরেন্ট শ্রমিক, ফেরিওয়ালা, চা শ্রমিক, চা এর দোকানদার, যারা দৈনিক আয়ের ভিত্তিতে সংসার চালায় তাদের তালিকা প্রস্তুত করেছে। বিশেষভাবে বলা হয়েছে, পৌর এলাকার জন্য ওএমএস খাতে নির্ধারিত মাসিক বরাদ্দ যারা কোন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত নয়, অর্থাৎ যাদের নামে সামাজিক কোনো কর্মসূচির কার্ড করা আছে তাদের বাদ দিয়ে, দরিদ্র নিম্নবিত্ত যাদের কার্ড নাই তাদের তালিকা করা হয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের যারা বাইরে খাদ্য সহায়তা চাইতে পারে না তাদের পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একটি পরিবার থেকে একজন করে উপকারভোগী এ সুবিধা পাবে ।