টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে চুরি, চোরকে গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দিল এলাকাবাসী

মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায় গত কয়েক দিন ধরে চোর চক্রটি কমপ্লেক্সের ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

১৮ এপ্রিল রবিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. মারিয়াম খাতুন,

জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান

স্মৃতি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মুক্তিযোদ্ধারা জানান, কমপ্লেক্সের নিচ তলার পূর্ব পাশের কাঠের দরজা কেটে

লোহার গেট এবং গ্লাসের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। পরে সেখান থেকে ৪৫ টি চেয়ার, ৫টি টেবিল,

একটি প্রজেক্টর, ৩টি বৈদ্যুতিক ফ্যান, একটি পানির মোটর ও ২৭টি পানির কল চুরি করে নিয়ে যায়।

বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবগত করলে তাদের প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি জানান, ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক কমপ্লেক্স ভবনটি উদ্বোধন করেন।

ওই সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কোনো কমিটি না থাকায় জেলা প্রশাসক কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমান সময় পর্যন্ত জেলা প্রশাসকই এ দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্বোধনের পর থেকে নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায় কমপ্লেক্সটি অরক্ষিত অবস্থায় ছিল।

তিনি আরও বলেন, এক দিনে এতকিছু একসঙ্গে চুরি করা সম্ভব নয়। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ মালামাল উদ্ধারের দাবি জানাই।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হবে। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১৭ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যার পর ওই এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ মুঠোফোনে চোর ধরা পড়ার বিষয়টি এক সাংবাদিককে জানায়।

বিষয়টি তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জয়নাল নাজিরকে জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে

রাতে কেউ না আসায় এলাকাবাসী চোরকে গণধোলাই দিয়ে, মোবাইল ফোনে ছবি ধারন করে ছেড়ে দেয়।