টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ইটভাটা গুলোতে অবৈধভাবে  পোড়ানো হচ্ছে নিষিদ্ধ কাঠ

মোঃ রাশেদ খান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় ফসলি জমি ও জনবসতির মাঝে গড়ে ওঠা অবৈধ কয়েকটি ইট ভাটায় অবৈধভাবে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ, ইটভাটা গুলো প্রকাশ্য কাঠ পুঁড়িয়ে তৈরি করছে ইট। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ইট তৈরির জন্য  কেটে নিচ্ছে  তিন ফসলী কৃষি জমির টপ সয়েল অর্থাৎ উপরের স্থরের র্উবর মাটি।

এতে একদিকে  নষ্ট হচ্ছে কৃষি জমির উর্বর শক্তি, অন্যদিকে মাটি কাটার ফলে উৎপাদনশীল জমি গুলো দিনে দিনে ছোট ছোট পুকুরে পরিণত হয়ে কমে যাচ্ছে ফসল উৎপাদন। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ভাটাগুলি হতে একযোগে নির্গত কালো ধোঁয়ায় আকাশ মেঘাচ্ছন্নের মতো আবরণ সৃষ্টি হয়। ভাটায় নির্গত ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে এলাকাবাসী মারাত্মককভাবে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হচ্ছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটাস্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ৬ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, কোন ব্যক্তি ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কোন কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না।

অথচ প্রশাসনের চোখের সামনেই এরকম অনিয়ম চলছে দিনের পর দিন। এরকমই বেশ কয়েকটি ভাটার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিশাল, কবির ও আখি ইটভাটা। ওই ইটভাটা মালিকদের দাবি তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই অবৈধ ভাবে চালাচ্ছে এই কর্মকান্ড। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন  জানায় মিশাল ইটভাটার মালিক ফারুক, কবির ভাটার মালিক কবির ও আখি  ইট ভাটার মালিক নুরে আলম এর ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে থামিয়ে দেয়া হয়। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা মনে করেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপেই বন্ধ হতে পারে অবৈধ ইট ভাটাগুলো। তাহলেই  বন্ধ হবে অবৈধ কাঠ পোড়ানো।