টঙ্গীতে এলাকায় ৭ বছরের শিশু চাঁদনী ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে র‍্যাব-১

মোঃআল-আমিন, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের টঙ্গীতে শীশু চাঁদনী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১।

আজ সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ১৫ মে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন মধুমিতা রোডের বেলতলা এলাকায় মামুন মিয়ার মেয়ে মাদ্রাসার ছাত্রী চাদনী বাড়ি থেকে খেলার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়। পরে সে বাড়িতে না ফেরায় মসজিদের মাইক থেকে তাকে সন্ধানের জন্য ঘোষণা দেয়া হয়। পরদিন দুপুর একটার দিকে বেলতলার একটি ইটের স্তূপের পাশ থেকে শিশুটির মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় গতকাল রাত আড়াইটার দিকে টঙ্গী স্টেশন রোড হতে র‍্যাব-১ এর একটি দল হত্যা ও ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিলয় নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। র‍্যাব বলছে নিলয়কে গ্রেফতারের মাধ্যমে ক্লুসেল এই ঘটনার জট খুলবে।ইতিমধ্যে নিলয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে ।ঘটনায় মূল হোতাকে গ্রেফতারের র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এই ক্যাম্প কমান্ডার।

উল্লেখ্য,
গত ১৬ এপ্রিল( শনিবার) সকালে মধুমিতা রেল গেইট এলাকার একটি ময়লার স্তুপ থেকে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের সহকারী পুলিশ পরিদর্শক আজিবর রহমান(এস আই) শিশুটির লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর মর্গে পাঠায়।
টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আমিনুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
নিহত শিশুটির নাম চাঁদনি আক্তার। সে সুনামগঞ্জ জেলার শাললা থানার সুলতানপুর গ্রামের মামুন মিয়ার মেয়ে।চাঁদনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে শিশু মেয়েটি নিখোঁজ ছিলো।শনিবার সকালে স্থানীয়রা ময়লার স্তূপের উপর লাশটি পরে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

নিহত শিশুর পিতা মামুন জানান,শুক্রবার দুপুর থেকে আমার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না। পরে এলাকার লোকজন লাশ দেখে আমাকে খবর দেয়।
তবে শিশুটিকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর এখানে ফেলে যায় বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।