ঝিনাইদহে করোনায় মৃত ব্যাক্তির জানাযার জন্য খাটিয়া দিলেন না এলাকাবাসি, এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই পড়ানো হয়েছে জানাযা

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গোলাম সরোয়ার মোর্শেদ (৫২), পিতা-রফি উদ্দিন মোল্লা, গ্রাম-মধ্যপাড়া। বাংলাদেশ রেলওয়েতে চট্রগ্রামে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকুরি করতেন তিনি। সেখানে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ২৯-০৬-২০২০ তারিখ শৈলকুপার নিজ বাড়িতে আসেন। নমুনা পরীক্ষায় তার পজিটিভ আসে।

চিকিৎসার জন্য ০১-০৭-২০২০তারিখ কুষ্টিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হন। শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ০২-০৭-২০২০ তারিখ তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি হন। সেখানেই চিকিৎসারত অবস্থায় ০৪-৭-২০২০ তারিখ দুপুর ২.০০ টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক জনাব সরোজ কুমার নাথের নির্দেশনায় ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আব্দুল হামিদ খানের তত্ববাবধানে শৈলকুপা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সহযোগিতায় মৃত গোলাম সরোয়ার মোর্শেদের জানাযা, দাফন কাফনের ব্যবস্থা করা হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শৈলকুপা উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে দাফন গঠিত কমিটির সদস্যরা রাত ১২.৩০ টার সময় জানাযা শেষে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক আব্দুল হামিদ খান জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির জানাযা করার জন্য স্থানীয় জনগন খাঁটিয়া দেন নাই এবং জানাযায় অংশগ্রহণ করেন নাই।

এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই মৃত ব্যক্তির জানাযা পড়ানো হয়েছে। করোনা সম্পর্কে তিনি সকলকে আরো বেশি বেশি সচেতন হওয়ার আহবান জানান। ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লাশ দাফন কমিটির মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১৬ জন করোনা উপসর্গ ও করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির দাফন করা হলো