জয়পুরহাটে ইউএনওকে ছাত্র ইউনিয়নের স্যানিটাইজার হস্তান্তর

ওমর আলী বাবু, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জয়পুরহাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাওয়া চিকিৎসক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাঝে বিতরণের জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র রায় এর হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার হস্তান্তর করেছে জেলা ছাত্র ইউনিয়ন।

রবিবার (১০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রিফাত আমিন রিয়ন এইসব হ্যান্ড স্যানিটাইজারগুলো হস্তান্তর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তাসরিন সুলতানা, সহ সভাপতি রেজুয়ান আহমেদ।

ছাত্র ইউনিয়নকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এই মহামারী করোনার দুঃসময়ে অবিরাম কাজ করে যাওয়া চিকিৎসক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ছাত্র ইউনিয়নের এই কার্যক্রম কে সাধুবাদ জানাচ্ছি । অতিদ্রুত সময়ের মধ্যেই ছাত্র ইউনিয়নের দেওয়া হ্যান্ড স্যানিটাইজারগুলো ডাক্তার, নার্স, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে এবং এতে তাদের অন্তত পনের দিনের কাজ চলবে।

এই বিষয়ে জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রিফাত আমিন রিয়ন বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। আমাদের দেশেও এখন সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ছাত্র ইউনিয়ন সবসময় দেশের যেকোনো সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রামন থেকে সাধারণ মানুষদের বাঁচাতে আজও সারদেশে ছাত্র ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছে। বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের স্বল্পতা ও দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি যেন কোন স্বাস্থ্যকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা করোনায় সংক্রামিত না হয় সেজনই ছাত্র ইউনিয়ন হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছিলো।’

জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তাসরিন সুলতানা বলেন, ‘করোনার সংক্রামন ঠেকাতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা খুব কষ্টে দিন যাপন করছে। এই দুর্যোগপূর্ন সময়ে তাদের পাশে কিভাবে থাকা যায় সে চেষ্টাই করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। আমরা ছাত্র ইউনিয়ন কর্মীরা সমাজের সকল বিত্তবানদের আহ্বান জানাতে চাই যে, আপনেরা এইসকল কর্মহীন গরীব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ালে তাদের আর অর্ধাহারে-অনাহারে থাকতে হবে না।’