জোয়ারে চাঁদপুর শহরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত /মেঘনার পানি বিপদসীমার ৬৯সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধি: উজানের ঢল ও ভাদ্র মাসের ভরা অমাবস্যার প্রভাবে চাঁদপুরের নদ নদীর পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।যার ফলে জোয়ারে পানিতে চাঁদপুর শহরের ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

আবারো দেখা দিয়েছে বন্যা ও শহর এলাকায় জলাবদ্ধতা । শহরের বেশ কটি সড়কে জলাবদ্ধতায় বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।শহরে জলাবদ্ধতার কারণে শহরবাসীকে দুর্গন্ধময়,

ময়লাযুক্ত পানি মারিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।শহর এলাকার মাদ্রাসা রোড,কবস্থান রোড,নাজির পাড়া, রহমতপুর কলোনি,ট্রাক রোড,বঙ্গবন্ধু সড়ক,পুরান বাজার জাফরাবাদ সড়ক,কলেজ রোডসহ বিভিন্ন সড়কের উপর পানি উঠে যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আকতার জানান, অমাবস্যার প্রভাব ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তাছাড়া চাঁদপুর শহরের ড্রেনেজ বব্যস্থা কিছুটা খারাপ হওয়ায় শহরে জলাবদ্ধতার সৃস্টি হচ্ছে।তবে পদ্মা-মেঘনার পানি বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬ টায় বিপদসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় । তিনি বলেন জোয়ারে পানি উঠলেও ভাটায় তা নেমে যায়।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানাযায়, অপরিকল্পিতভাবে খাল, ডোবা, নালা ভরাটসহ ড্রেনেজ সমস্যার কারণে অনেক সময় বৃষ্টির পানি আটকে থাকে। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই শহরে পানিবদ্ধতা দেখা দেয়। এদিকে পদ্মা ও মেঘনা নদীর তীরবর্তী চাঁদপুর জেলার চারটি উপজেলায় এখনো পানিবদ্ধতার উন্নতি ঘটেনি।

ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ টি ইউনিয়নের লোকজন দুর্ভোগ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারো অমাবস্যার প্রভাবে পড়েছে।